ধর্মের ‘পর্দা’ সরিয়ে সৌদি আরবের মতো মুসলিম রক্ষণশীল দেশে তরুণীর এমন ভাবমূর্তি এরই মধ্যেই ভাইরাল নেট দুনিয়ায়। যে ঘটনায় তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও।
সৌদি আরবের নানা ওয়েবসাইটে ওই নারীর ছবি ভাইরাল হলেও, তার নাম বা পরিচয় কিছুই জানা যায়নি। সৌদি সমাজের নিয়ম অনুযায়ী, মাথা থেকে পা পর্যন্ত বোরকা না পরে প্রকাশ্যে বের হতে পারেন না কোনো নারী, যদি সে ভিন্ন ধর্মেরও হয়।
.png)
সেখানেই এই তরুণী অবাক কাণ্ড ঘটিয়েছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর তরুণীর এই আচরণ দুভাবে দেখছেন নেটিজেনরা। তবে তাদের বেশির ভাগেই এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করছেন, যদিও কেউ কেউ ওই নারীর আচরণকে বিপ্লব ঘটিয়েছেন বলে চালিয়ে দিচ্ছেন।
সৌদি নারীদের এই ধরনের পোশাকে চলাফেরা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও পাশ্চাত্য পোশাকে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে পোজ দিয়ে ছবি তুলে টুইটারে পোস্ট করে গ্রেফতার হয়েছিলেন এক তরুণী। সেটা অবশ্য ২০১৬ সালে।
পুলিশের দাবি ছিল, ‘নৈতিকতার সীমা লঙ্ঘন’ করার জন্যই গ্রেফতার করে সেই তরুণীকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। গত বছর, সৌদির রাজকুমার মুহাম্মদ বিন সালমান ঘোষণা করেছিলেন ভিশন ২০৩০। সেই ঘোষণাই ছিল কার্যত যুগান্তকারী।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের নিয়োগের উপর শতাব্দী প্রাচীন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন যুবরাজ। এই ঘোষণার পরেই বোরকার আড়াল থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করছে নারীরা।
নারীদের গাড়ি চালানোর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। বেসরকারি শিল্পক্ষেত্রে নারীদের নিয়োগ শুরু হয়। সরকারি টিভি চ্যানেল সৌদি টিভি ওয়ান-এ বোরকা ছাড়াই নিজের মুখ দেখান পেশাদার নিউজ অ্যাঙ্কর উইম আল দাখিল।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ