এই পুরস্কারের বিষয়ে অবশ্য আগেই জানিয়ে দেওয়া হয় বিজেতাকে, যেন তিনি নিজে এসে এই পুরস্কারটা হাতে তুলে নিতে পারেন। ফলে এবারের পুরস্কার মেসি জিতছেন না বলে পিএসজি তারকাকে বিষয়টি আগে জানানোও হয়নি। তাই আগে থেকেই পুরস্কার না পাওয়ার বিষয়ে জেনে গিয়েছিলেন মেসি।
বিষয়টা জেনেও রেকর্ড ছয় বারের ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার জেতা মেসি হাস্যোজ্জ্বল মুখ নিয়ে ফিফা বর্ষসেরার অনুষ্ঠানে বসে ছিলেন। এমনকি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যখন বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকারের হাতে ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কারটা তুলে দিচ্ছেন, তখনও মেসির মুখ থেকে সেই হাসি মিলিয়ে যায়নি।
.png)
মেসি প্রায় এক ঘণ্টা ব্যক্তিগত আইপ্যাডের সামনে বসে এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, জানিয়েছে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কা। যদিও মেসি এই ভিডিও কলে উপস্থিত ছিলেন ঘরোয়া পোশাকেই, তবু তার এই ঘণ্টার কাছাকাছি সময় এই অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকাকে ইউরোপীয় সংবাদ মাধ্যমে দেখা হচ্ছে লেভানদোভস্কির প্রতি মেসির দেখানো সম্মান হিসেবেই।
এর আগে গেল বছর নভেম্বরে ব্যালন ডি’অর জেতার পরও মেসি লেভানদোভস্কির ভূয়সী প্রশংসাই করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমি রবার্টকে বলতে চাই, তোমার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটা আমার জন্য সম্মানের।’
আগের বছর লেভানদোভস্কির ব্যালন ডি’অর না জেতার বিষয়ে মেসি বলেন, ‘তোমার একটা ব্যালন ডি’অর প্রাপ্য। গেল বছর সবাই একমত ছিল, ব্যালন ডি’অরটা তোমারই পাওনা ছিল। আমি মনে করি ফ্রান্স ফুটবলের উচিত তোমাকে একটা ব্যালন ডি’অর দেওয়া, আর তোমার সেটা প্রাপ্যও।’
মেসি সেই ব্যালন ডি’অর সপ্তম বারের মতো জিতলেও এবার ফিফার রায়ে বর্ষসেরা হতে পারলেন না। তাতেই মেসি-রোনালদো যুগে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুটো ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার কেউ বগলদাবা করলেন।