রোববার বার্বাডোসে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই টম ব্যান্টনকে আউট করেন জেসন হোল্ডার। দ্বিতীয় উইকেটে ইংল্যান্ড পায় ৮৫ রানের জুটি। জেসন রয় ৪২ বলে ৫২ রান করে কাইরন পোলার্ডের শিকার হন। এর মাধ্যমে ভেঙে যায় জেমস ভিঞ্চের সাথে তার জুটি।
পরের ওভারেই অকিল হোসেনের বলে আউট হন ভিঞ্চ। দুইটি করে চার ও ছক্কায় ২৬ বলে ৩৪ রান করেন তিনি। এরপরই শুরু হয় মঈনের ছক্কা বৃষ্টি। বার্বাডোসে রীতিমত টর্নেডো বইয়ে দেন তিনি। ২৮ বলে খেলেন ৬৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। মঈনের ইনিংসটিতে ছিল একটি চার ও সাতটি ছক্কা। স্ট্রাইকরেট ২২৫।
.png)
এছাড়া লিয়াম লিভিংস্টোন ১৫ বলে ১৬ ও স্যাম বিলিংস ৪ বলে ১৩ রান করেন। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড পায় ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ। ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে তিনটি উইকেট শিকার করেন হোল্ডার।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ঝড়ো শুরু এনে দেন কাইল মেয়ার্স। তবে অপরপ্রান্তে ব্রেন্ডন কিং খেলেন ধীরগতিতে। যার ফলে পথ হারিয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এমতাবস্থায় মেয়ার্সের লাগাম টেনে ধরেন মঈন। ২৩ বলে ৪০ রান করেন মেয়ার্স। ২৭ বলে ২৬ রান করা কিংকেও শিকার করেন মঈন।
এরপর নিকোলাস পুরান ১৬ বলে ২২, রোভম্যান পাওয়েল ৬ বলে ৫, জেসন হোল্ডার ২৪ বলে ৩৬, কাইরন পোলার্ড ১৬ বলে ১৮ ও ড্যারেন ব্রাভো ৮ বলে ৩ রান করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামে ১৫৯ রানে। স্বাগতিকরা উইকেট হারায় পাঁচটি।
ইংল্যান্ডের পক্ষে মঈন দুইটি এবং আদিল রশিদ, রিচ টপলি ও লিভিংস্টোন একটি করে উইকেট নেন। ইংল্যান্ড পায় ৩৪ রানের জয়। ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছে মঈন। এই ম্যাচে অধিনায়কও ছিলেন মঈন আলি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড: ১৯৩/৬ (২০ ওভার)
মঈন ৬৩, রয় ৫২, ভিঞ্চ ৩৪;
হোল্ডার ৩/৪৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৫৯/৫ (২০ ওভার)
মেয়ার্স ৪০, হোল্ডার ৩৬, কিং ২৬;
মঈন ২/২৮।
ফল: ইংল্যান্ড ৩৪ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা খেলোয়াড়: মঈন আলি।