রিউসের জোড়া গোলে ডর্টমুন্ডের জয়
মার্কো রিউসের জোড়া গোলে রোববার জয় নিয়ে টেবিল টপার বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে ব্যবধান ৬ পয়েন্টে নামিয়ে এনেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। বুন্দেসলিগার ম্যাচে তারা ৩-০ গোলে ইউনিয়ন বার্লিনকে হারিয়েছে।
গত মৌসুমে দুই দলের মোকাবেলায় রিউসের পেনাল্টি গোল বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। যে কারণে রাজধানীতে তাকে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করা হয়নি। কিন্তু প্রথমার্ধেই দুই গোল করে স্বাগতিক সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেন তিনি। অ্যাওয়ে ম্যাচে ইউনিয়নের বিপক্ষে প্রথম এই জয়ের মাধ্যমে পরাজয়ের গন্ডি থেকেও বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে ডর্টমুন্ড। গত সপ্তাহে তারা হেরে গিয়েছিল লেভারকুজেনের কাছে।
খেলা শেষে রিউস বলেন, গত সপ্তাহটি আসলেই বাজে ছিল। আজ আমরা এর প্রতিক্রিয়া দেখাতে চেয়েছিলাম। তবে এখানে সেটি বেশ কঠিন ছিল। কারণ ইউনিয়ন বার্লিন খুবই ভাল একটি দল।
.png)
শীর্ষ স্থানে থাকা বায়ার্ন শনিবার দুর্বল বোচুমের কাছে হেরে যাওয়ায় রাজধানীতে গতকালের ম্যাচে জয় পাওয়াটা গুরুত্বপুর্ণ হয়ে দাঁড়ায় দ্বিতীয়স্থানে থাকা ডর্টমুন্ডের জন্য। তারা শুরুও করেছিল কিছুটা স্নায়ুচাপ নিয়ে। তবে ১৮ মিনিটেই লিড পেয়ে যায় ডর্টমুন্ড। বক্সের মধ্যে বল নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নিচু শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রিউস।
ম্যাচের ২৫ মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে দ্রুততার সঙ্গে বল নিয়ে ফের গোল করে ডর্টমুন্ডকে দ্বিগুণ ব্যবধানে এগিয়ে দেন রিউস। বিরতির পর ইউনিয়ন বার্লিনের প্রতিরোধ ভেঙ্গে যায় ৭১ মিনিটে। এ সময় সফরকারীদের হয়ে তৃতীয় গোল করেন রাফায়েল গুয়েরেইরো।
ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিট ছিল বেশ উত্তেজনাপুর্ণ। মুলত ফাউলের কারণে ভিএরআর প্রযুক্তিতে স্বাগতিকদের দেয়া একটি গোল বাতিল হওয়াতেই উত্তেজনার সৃস্টি হয়েছিল। কিন্তু সাত ম্যাচের মধ্যে প্রথম এই ক্লিন শিট ধরে রাখে ডর্টমুন্ড।
এখন মার্কো রোজের শিষ্যদের পুরো মনোযোগ বৃহস্পতিবারের ইউরোপা লিগের ম্যাচকে ঘিরে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ স্কটিশ চ্যাম্পিয়ন রেঞ্জার্স।
রিউস বলেন, ‘আমাদের দলের অনেক খেলোয়াড় ইউরোপা লিগে খেলেনি। রেঞ্জার্সও বেশ ভালো একটি দল। আজকের এই জয় উপভোগ করাটাও আমাদের কাছে গুরুত্বপুর্ণ। এর দ্বারা গত সপ্তাহের হতাশা দূর হবে। এরপর আমরা রেঞ্জার্স ম্যাচে মনোযোগ দিব।’
এই হারে তালিকার সপ্তম অবস্থানে নেমে গেছে ইউনিয়ন। রোববার অনুষ্ঠিত লিগের আরেক ম্যাচে আর্মিনিয়া বিয়েলেফেল্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় নিয়ে এক লাফে তালিকার পঞ্চম অবস্থানে উঠে এসেছে হফেনহেইম।