ফের হাসপাতালে পেলে
বেশ কিচ্ছুদিন থেকে কোলন টিউমারের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন ব্রাজিলের কালোমানিক খ্যাত পেলে। মাঝে মধ্যে যেতে হচ্ছে হাসপাতালে। ফের চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পেলে। ব্রাজিলের এই কিংবদন্তি নিজেই জানিয়েছেন, সাও পাওলোতে ফের কেমোথেরাপি দেওয়া হবে তাকে।
গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে শারীরিক কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল পেলেকে। সেখানেই তার টিউমার ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করে তা অপসারণ করা হয়।
তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ৮১ বছর বয়সী এই ফুটবল কিংবদন্তির কেমোথেরাপি চলবে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত পরশু হাসপাতালে যেতে হয় তিনবার বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ফরোয়ার্ডকে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মলাশয়ের টিউমার অপসারণের পর থেকে সাও পাওলোর একটি হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন পেলে। ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি নিতে প্রতি মাসেই তাঁকে হাসপাতালে যেতে হয়। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানায়, মলাশয়ের ক্যানসার চিকিৎসায় এটাই ছিল পেলের শেষ কেমোথেরাপি।
নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে পেলে লিখেছেন, ‘বন্ধুরা, যেমনটা আমি গত কয়েক মাস ধরে করে আসছি, আমার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আমি হাসপাতালে যাচ্ছি’।
তিনি আরো যোগ করেন, আমি এরই মধ্যে একটি বড় টিভি ও পপকর্ন অর্ডার করেছি যেন পরে আমি সুপার বৌল দেখতে পারি। আমার বন্ধু টম ব্র্যাডি না খেললেও আমি ম্যাচটি দেখব। ভালোবাসাময় সব বার্তার জন্য ধন্যবাদ।
অনেকের মতেই ইতিহাসের সেরা ফুটবলার পেলে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় নানা রোগের সঙ্গে লড়াই করছেন। শরীরের পেছন দিকের অস্ত্রোপচারের পর এখন তিনি সহায়তা ছাড়া হাঁটতে পারেন না।
গত বছরের ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে মলাশয়ের ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি নিতে তাঁকে হাসপাতালে যেতে হয়। যকৃৎ ও ফুসফুসে টিউমারের খবর জানা যায় গত মাসে। তখন ইএসপিএনের এই খবর স্বীকার কিংবা অস্বীকার করেননি পেলের বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক। হাঁটতে অসুবিধা হওয়ায় এর আগে কোমরে অস্ত্রোপচারও করিয়েছেন তিনটি বিশ্বকাপ জয়ী তারকাকে।
ব্রাজিলের হয়ে ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপ জেতা পেলে ৯২ ম্যাচে ৭৭ গোলে এখনও দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা।