শুক্রবার দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্রাঙ্কফুর্টের জালে গুণে গুণে ছয় গোল দিয়েছে বায়ার্ন। ম্যাচে ৬-১ ব্যবধানের বিশাল জয় পেয়েছে তারা।
আইনট্র্যাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট ভক্তদের পাগলামির নমুনা গেল মৌসুমেই দেখেছিল ইউরোপ। ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনাকে যে তাদের মাঠেই ‘নিজভূমে পরবাসীর’ অনুভূতি দিয়েছিলেন তারা। এরপর মাঠের খেলাতে বার্সাকে হারিয়ে তাদের দল চলে যায় ইউরোপার সেমিতে, পরে জিতে নেয় শিরোপাও।
.png)
সেই ফ্রাঙ্কফুর্ট সমর্থকরা নিজেদের মাঠ ডয়েশ ব্যাঙ্ক পার্কে ম্যাচের শুরুর আগে থেকেই ফ্লেয়ার জ্বালিয়ে রেখেছিলেন গ্যালারিতে। যার ধোঁয়া চলে এসেছিল মাঠে। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে বায়ার্ন স্বাগতিকদের জালে যে প্রথম গোলটা জড়ায়, তাতে খানিকটা দায় ছিল তারও।
জশুয়া কিমিচের ফ্রি কিকটা যে ফ্রাঙ্কফুর্ট গোলরক্ষক কেভিন ট্রাপ ঠিকঠাক চোখেই দেখেননি! তবে বায়ার্ন এর মিনিট ছয়েকের মধ্যেই বেঞ্জামিন পাভার্ডের গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জানান দিচ্ছিল, মাঠে ধোঁয়া চলে না এলেও জিততে কোনো সমস্যাই হতো না তাদের।
লিভারপুল থেকে এই মৌসুমেই দলটিতে পাড়ি জমানো সাদিও মানে বায়ার্নের আনুষ্ঠানিক অভিষেকে গোলের দেখা পেয়েছিলেন। পেলেন বুন্দেসলিগা অভিষেকেও। ম্যাচের আধঘণ্টা না পেরোতেই সার্জে গ্যানাব্রির ক্রস থেকে দারুণ এক হেডারে তার করা গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় শিরোপাধারীরা।
বিরতির আগেই আরো দুই গোল করে বায়ার্ন। গোলদুটো করেন জামাল মুসিয়ালা আর গ্যানাব্রি। তাতেই ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় বায়ার্ন। দ্বিতীয়ার্ধে একটা গোল অবশ্য ফেরত দিয়েছিল স্বাগতিকরা। র্যান্ডাল কোলো মুয়ানির গোলে ব্যবধানটা ৫-১ করে আইনট্র্যাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট।
ম্যাচের ৮৫ মিনিটে মুসিয়ালা ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করে পাঁচ গোলের ব্যবধানটা ফিরিয়ে দেন বায়ার্নকে। বাভারিয়ানরা ম্যাচ শেষ করে ৬-১ গোলের বিশাল জয় নিয়ে।