অবশেষে হারমানপ্রীতকে নিয়ে মুখ খুললেন জ্যোতি
মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ড্র করে বাংলাদেশের মেয়েরা। এ ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে আম্পায়ারের সঙ্গে বাজে আচরণ করেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি, ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও আম্পায়ারকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তার এমন আচরণের পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।
হারমানপ্রীতের অখেলোয়াড় সুলভ আচরণের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আম্পারের সিদ্ধান্তে মাঠ ও মাঠের বাইরে বাজে আচরণ করে চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট পান তিনি। আইসিসির ধারা অনুযায়ী, কোনো ক্রিকেটারের নামের পাশে চারটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হলে তাকে আগামী দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করার। সেই ধারায় ভারতের জার্সিতে আগামী দুই ম্যাচ খেলতে পারবেন না হারামান।
ভারতের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হয়েছে সপ্তাহ হতে চলেছে। অবশেষে হারমানপ্রীতকে নিয়ে মুখ খুলেছেন টাইগ্রেস অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তৃতীয় ম্যাচ শেষে ফটো সেশন চলাকালে হারমানপ্রীতের অসম্মানজনক আচরণের কারণে টিম নিয়ে ড্রেসিংরুমে চলে গিয়েছিলেন টাইগ্রেসরা।
.png)
এ প্রসঙ্গে টাইগ্রেস অধিনায়ক বলেন, খেলায় কিছু জিনিস করা যায়, কিছু জিনিস যায় না। পুরস্কার বিতরণীর সময় খেলা শেষ হয়ে গিয়েছিল। মাঠের বাইরে, আমরা প্লেয়াররা ছিলাম, যারা কি না একই খেলা খেলে থাকি, আর যাদের একে অন্যকে সম্মান করা উচিত।
জ্যোতি বলেন, ‘আমি আশা করেছিলাম, যা হয়েছে ভুলে হরমনপ্রীত আর স্মৃতি এসে আমাদের টিমের পিঠ চাপড়ে বলবে, ভাল খেলেছ। মহেন্দ্র সিং ধোনি বা বিরাট কোহলিকে এ জিনিস করতে দেখেছি আমি। কিন্তু সেটা যখন হল না, উল্টে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অসম্মানজনক কথা বলে গেল হারমানপ্রীত, আমি টিম নিয়ে বেরিয়ে যাই। যা হচ্ছিল, তাতে নতুন করে ঘৃতাহুতি দিতে চাইনি। কাউকে না কাউকে ব্যাপারটা শেষ করতে হত। তাই আমিই টিম নিয়ে বেরিয়ে গিয়ে সেটা করি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার টিমের অনেক ক্রিকেটারের কাছেও হারমানপ্রীত আদর্শ। কিংবদন্তি। ওরা হারমানপ্রীতকে সামনে রেখে এগোয়। অথচ সেদিন ওরা আমাকে এসে বলেছিল যে, হারমানপ্রীতের মতো একজন কিংবদন্তি আমাদের সঙ্গে কী করে ওই কাজটা করতে পারল? শুনে খারাপ লেগেছিল আমার। কষ্টও পেয়েছিলাম।’