ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৩

শেষ ম্যাচেও বড় হার, বিশ্বকাপ শেষ পাকিস্তানের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২:৩৫, ১১ নভেম্বর ২০২৩
শেষ ম্যাচেও বড় হার, বিশ্বকাপ শেষ পাকিস্তানের
ছবি: সংগৃহীত

সেমিফাইনালে যেতে হলে ইংল্যান্ডের দেওয়া ৩৩৮ রানের লক্ষ্য পাকিস্তানকে পেরুতে হতো ৬.৪ ওভারে। অসম্ভব সেই সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়েই বিশ্বকাপ মিশনকে গুডবাই বলতে হয়েছে বাবর আজমদের।

শেষ ম্যাচে স্বান্তনার জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু কলকাতায় ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখে হয়নি সেটিও। ৩৩৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান অলআউট হয়েছে ২৪৪ রানে। ম্যাচটা পাকিস্তান হেরেছে ৯৩ রানে।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই আব্দুল্লাহ শফিক ফিরে গিয়েছেন। বিশ্বকাপের পরই অবসরের ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন ডেভিড উইলি। সে হিসেবে আজ তার শেষ ম্যাচ। আর তিনি সেটা স্মরণীয় করে রাখলেন প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নিয়ে।

Advertisement

আশার প্রতীক ছিলেন ফখর জামান। হতাশ করেছেন তিনিও। ৯ বলে ১ রান করে উইলির দ্বিতীয় শিকার হন ফখর। এরপর জুটি গড়েন পাকিস্তানের দুই বড় ভরসা বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান। কিন্তু এই জুটিও আলো দেখাতে ব্যর্থ। তৃতীয় উইকেটে ৫১ রান তোলার পরই দলীয় ৬১ রানে ফিরে যান বাবর। গাস অ্যাটকিনসনের বলে আদিল রশিদের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

দলের রান যখন ১০০ তখনই মঈন আলীর বলে বোল্ড হন রিজওয়ান। এরপর সৌদ শাকিলের ২৯ রান পাকিস্তানকে দিয়েছে সাময়িক স্বস্তি। ইফতিখার আহমেদ ফিরেছেন ৩ রানে। শাদাব খানও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মঈন আলী আর রশিদ খানের ঘূর্ণিতে তখন দিশেহারা পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ক্রিজে ছিলেন সালমান আগা। তার ৫০ পেরুনো ইনিংস নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানের ৫ম স্থান। উইলির তৃতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান সালমান।

শেষে অবশ্য পাকিস্তানের দুই বোলার হারিস রউফ আর ওয়াসিম জুনিয়র শুরু করেন নতুন এক ঝড়। ৩৩ বলেই ৫৩ রানের জুটি গড়েন দুই বোলার। ক্রিস ওকসের বলে বেন স্টোকসের হাতে ক্যাচ দিয়ে হারিস রউফ বিদায় নেন ব্যক্তিগত ৩৫ রানে। পাকিস্তান ম্যাচ হারে ৯৩ রানের ব্যবধানে।

এর আগে, টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ইংলিশদের ইনিংস থেমেছে ৩৩৭ রানে। এদিন উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮১ বলে ৮২ রান। এই ম্যাচের আগেই অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন ইংলিশ ওপেনার ডেভিড মালান। নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ খেলতে নেমে বেয়ারস্টোর সঙ্গে জুটি গড়ে দেখেশুনেই খেলছিলেন। ১৪তম ওভারে ইফতিখার আহমেদের বলে সাজঘরে ফেরেন ৩৯ বলে ৩১ রান করে। এরপর অবশ্য বেশিদূর এগোতে পারেননি জনি বেয়ারস্টো। ৬১ বলে ৫৯ করে হারিস রউফের বলে আউট হন ইংলিশ এ ওপেনার।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তৃতীয় উইকেট জুটিতে জো রুট এবং বেন স্টোকস মিলে যোগ করেন ১৩১ বল থেকে ১৩২ রান করেন। তাতে দলীয় সংগ্রহ ২০০ ছাড়ায়।

৪১তম ওভারে শাহিন আফ্রিদি যখন ব্রেকথ্রু এনে দিলেন, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে পাকিস্তানের। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান স্টোকস এদিন ৭৬ বলে ৮৪ রান করেন। স্টোকসের পর রুটকেও সাজঘরে পাঠান শাহিন। শেষ পর্যন্ত হ্যারি ব্রুক (৩০ রান) ও অধিনায়ক জস বাটলারের (২৭ রান) ছোটখাটো ক্যামিওতে ইংল্যান্ডের রান ৩০০ ছাড়িয়েছে। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চে ৩ উইকেট তুলে নেন হারিস রউফ, ২টি করে উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ওয়াসিম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!