কমেন্ট্রি বক্স থেকে ভেসে আসা ছোট ছোট শব্দের বাক্যগুলো অনেকেরই শোনা। গুটিকয়েকের কথা বাদ দিলে দেশের ক্রিকেটের খুঁটিনাটি যাদের নখদর্পণে তাদের কাছে বেশ সুপরিচিত। বিশেষ করে বাংলাদেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট কিংবা আন্তর্জাতিক ম্যাচে এই কমেন্টগুলো প্রায় শুনতে হয়। আর এভাবেই গত দুই দশকে মাঠের ক্রিকেটে না থেকেও যেন অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছেন। তবে মাঠে ক্রিকেটারদের মতো ব্যাট-বল হাতে তিনি লড়াই করেন না, তার লড়াইটা চলে কমেন্ট্রি বক্সে মাইক্রোফোন হাতে।
বাইশ গজের ক্রিকেটে সাদামাটা পারফর্মার হলেও কমেন্ট্রি বক্সে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। এজন্য নামের পাশে উপমা পেয়েছেন ‘দ্য ভয়েস অব বাংলাদেশ ক্রিকেট’ হিসেবে। বলছি লাল-সবুজের কণ্ঠযোদ্ধা আতহার আলী খানের কথা।
.png)
আতহার বাংলাদেশ দলকে ভালোবেসে, বাংলাদেশ দলের প্রতি বিশ্বাসকে পুঁজি করে দেশে-বিদেশে, এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ছুটে বেড়িয়েছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি এই ধারাভাষ্যকারের মাইক্রোফোনে পৃথিবীর নানা প্রান্তে বাংলার বিজয়ের ঘোষণা তার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে।
দেশের হয়ে কমেন্ট্র বক্সে ঝড় তোলা কিংবদিন্তি আতহারের আজ জন্মদিন। ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে (১০ই ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তবে ঢাকায় জন্ম নিলেও তার বেড়ে ওঠা, স্কুল এবং কলেজ জীবন কেটেছে পাকিস্তানের করাচিতে।
১৯৭০ সালের দিকে সপরিবারে পাকিস্তানে চলে যান আতহার আলীর বাবা। এর সাত বছর অর্থাৎ ১৯৭৭ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন তারা। দেশে ফেরার পর ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি আবাহনীর হয়ে ক্রিকেট শুরু করেন ঘরোয়া ক্রিকেট, এক বছর পর দল বদলে সূর্যতরুণে পাড়ি জমান।
আতহার আলী সর্বপ্রথম আলোচনায় আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে উইলস কাপ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে খেলা একটি অবিশ্বাস্য ইনিংসের জন্য। ১৯৮৫ সালে তিন দিনের ঐ ম্যাচে সতীর্থ তারিকুজ্জামান মুনিরকে নিয়ে ৪৪৭ রানের এক অবিস্মরণীয় জুটি গড়েন তিনি। মুনির দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম তিনশ রানের ইনিংস খেলার ম্যাচে ১৫৫ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। এর পরপরই পূর্ণশক্তির শ্রীলংকার বিপক্ষে বিসিবি (তৎকালীন বিসিসিবি) একাদশের হয়ে খেলার সুযোগ পান তিনি।
ঘরোয়া ক্রিকেট ও বিসিবি একাদশের দারুণ পারফর্ম করেন আতহার। তবুও জাতীয় দলে অভিষেক হতে আরো বছর তিনেক অপেক্ষা করতে হয় তাকে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক
১৯৮৮ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় আতহারের। সেবার তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অভিষেক রাঙাতে পারেননি তিনি। চট্টগ্রামের এম.এ আজিজ স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে নিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে ১৬ রান করার সঙ্গে দুই ওভারের বোলিংয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন এই অলরাউন্ডার।
অভিষেকের পর অবশ্য নিজের জাত চেনাতে বেশি সময় নেননি আতহার। ১৯৮৮ সালে এশিয়া কাপের পর্দা ওঠে বাংলাদেশে। সেই আসরে অংশ নেয় ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও স্বাগতিক বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে গড়ানো এশিয়া কাপে লাল-সবুজের জার্সিতে সুযোগ আসে তার।
জাতীয় দলের জার্সিতে সুযোগ পেয়ে ভারতের বিপক্ষে ১৬, পাকিস্তানের বিপক্ষে ২২ এবং শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩০ রান করে বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন আতহার।
১৯৯০ সালের শেষ দিন এশিয়া কাপে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ৫০ হাজার দর্শকের সামনে ৭৮ রানের এক অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলেন আতহার। প্রতিপক্ষ শ্রীলংকার ডেরায় তখন প্রমদায় বিক্রমাসিংহে, চম্পকা রমানায়েকে, সনাৎ জয়াসুরিয়ার মতো বোলার। সেই ম্যাচে অরবিন্দ দি সিলভা বেশি রান করলেও ম্যাচ সেরা হন আতহার; বাংলাদেশি কোনো খেলোয়াড় প্রথম বারের মতো এই পুরস্কার পান সেদিন। সেটাই ছিল আতহারের ক্যারিয়ারের একমাত্র ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার।
পার্শ্ব চরিত্রের জন্য বিখ্যাত ছিলেন আতহার। ১৯৯৭ সালে নিজেদের ইতিহাসে ওয়ানডেতে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ। কেনিয়ার বিপক্ষে কীর্তি গড়ার ম্যাচে মোহাম্মদ রফিকের সঙ্গে ১৩৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন তিনি। রফিক ৭৭ রান করে ম্যাচ সেরা হন, আর আতহার করেন ৪৭ রান।
১৯৯৪ সালে ঢাকায় শুরু হওয়া সার্ক ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে একাদশে সুযোগ হারান আতহার। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়েই দারুণ ইনিংস উপহার দেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ দলের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শ্রীলংকা ‘এ’ দলকে হারানোর ম্যাচে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন আতহার আলী। পরের ম্যাচে ভারত ‘এ’ দলকে ১ রানে হারানোর ম্যাচেও ২৬ রান করেন তিনি। তবে ফাইনালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাত্র ১০ রান করেন এ মিনি অলরাউন্ডার।
নিজের ক্যারিয়ারে আতহারের ব্যাটে সর্বোচ্চ রান আসে ১৯৭৭ সালে, এশিয়া কাপে। প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। ঐ আসরে ৩ ম্যাচে ৫২.৩৩ গড়ে ১৫৭ রান করেন তিনি। ইনজামাম, সেলিম মালিক, শচীনদের পিছনে ফেলে সর্বোচ্চ রান তোলার তালিকায় পঞ্চম ছিলেন সেবার এ টাইগার ক্রিকেটার।
বল হাতে আতহারের সেরা ফিগার ছিল মোহালিতে ভারতের বিপক্ষে ৩৩ রানে ২ উইকেট। এ খেলায় তিনি ভারতের বর্তমান কোচ ও কিংবদন্তি ব্যাটার রাহুল দ্রাবিড়কে আউট করেছিলেন।
একই বছরে আইসিসি ট্রফি শিরোপা উঁচিয়ে ধরে বাংলাদেশ। যেখানে আতহারের ভূমিকা না বললেই নয়। শিরোপা জয়ে আসরে ৯ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ১৭০ রান। কিন্তু ধীর গতির ব্যাটসম্যান, এই অজুহাতে ফাইনাল ম্যাচে দলে থাকলেও ব্যাট করার সুযোগ হয়নি। সেদিন বৃষ্টি বিঘ্নিত কার্টেল ওভার ম্যাচে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল ২৫ ওভারে ১৬৬ রান।

নিয়মিত ওপেনার আতহারের জায়গায় ব্যাট করতে পাঠানো হয় নাঈমুর রহমান দুর্জয়কে। সেই ম্যাচে দুর্জয়ের অবদান ছিল ১ বলে ০ রান। একটু ধীর ব্যাটিং করেন বলে সেই ম্যাচে আর ব্যাট হাতে নামা হয়নি আতহারের।
আতহারের অবসর
১৯৯৮ সালে মুম্বাইয়ে ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলেন আতহার। বয়সের অজুহাত দেখিয়ে ১৯৯৯ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি তার। এতে হয়ত খুব অনুশোচনায় ভুগছিলেন তিনি।
ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ দলকে ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড সফরে পাঠিয়েছিল বিসিবি। সফরে যুক্তরাজ্যের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরাম্যান মার্ক ও’ডয়ারের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় আতহারের। ঐ সম্পর্কটাই দুই বছর পর তার ধারাভাষ্য জীবনের ক্যারিয়ারে টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার আগ পর্যন্ত লাল-সবুজের জার্সিতে ১৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন আতহার। যেখানে ২৯.৫৫ গড়ে মোট ৫৩২ রান করেন তিনি। ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ৮২ রান করা আতহারের ঝুলিতে রয়েছে তিনটি হাফ সেঞ্চুরি। বল হাতে ৬ উইকেট আছে তার।
এছাড়াও ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়ানডে তথা লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছেন ২৯টি। প্রাপ্তি ৭০৮ রান সঙ্গে ৯ উইকেট। প্রথম শ্রেণীতে ৩টি ম্যাচে করেছেন৪৮ রান ও বল হাতে নিয়েছেন একটি উইকেট। তবে দেশের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে না পারা আতহারের ধারাভাষ্য কক্ষে আগমনটা বেশ রোমাঞ্চ ছড়িয়েছিল।
ধারাভাষ্য কক্ষে আতহারের পথচলা
ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণ টেস্টে বাংলাদেশের অভিষেক ২০০০ সালের, ১০ নভেম্বর। ঘরের মাঠে সেই টেস্টে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। এজন্য আগের দিন হোটেল শেরাটনে ক্রিকেটারদের শুভকামনা জানাতে যান আতহার। তবে সেখানে গিয়ে আকস্মিকভাবে দেখা হয়ে যায় ঐ মার্ক ও’ডয়ারের সঙ্গে। ভারতের বিপক্ষে সেই সিরিজের প্রডিউসার হিসেবে কাজ করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি।
কথার এক পর্যায়ে ধারাভাষ্যে নিজের নাম লেখানোর ইচ্ছের কথা মার্ক ও’ডয়ারের সঙ্গে শেয়ার করেন আতহার। যেই বলা সেই কাজ, পরদিন ইয়ান চ্যাপেল, মাইকেল হোল্ডিং, সুনীল গাভাস্কার, টনি গ্রেগদের মতো রথী-মহারথীদের পাশে বসে ধারাভাষ্যে অভিষেক হয় তার।
এ প্রসঙ্গে আতহার পরে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘ওরা আমাকে দুই দফায় আধঘণ্টা করে মোট এক ঘণ্টা কমেন্ট্রি করার সুযোগ দিয়েছিল। তো প্রথমবার মাইক্রোফোন হাতে নিয়েই দেখলাম আমার সঙ্গী কমেন্টেটর ইয়ান চ্যাপেল। প্রথম কয়েক মিনিট তো মুখ দিয়ে কোনো কথাই বের হচ্ছিল না!’
বাংলার ক্রিকেটপ্রেমী জনতা ভালোমতোই জানে ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিবেদিত এই প্রাণ একজন নির্ভীক যোদ্ধা। তাই প্রথম দিন কথা বলতে না পারা সেই আতহার আলী খানই বিশ বছর পরে বিশ্ব ক্রিকেটে ‘দ্য ভয়েস অব বাংলাদেশ ক্রিকেট’ হয়ে উঠেছেন।
লাল-সবুজের প্রতিবাদী কণ্ঠযোদ্ধা
একটা সময় সবাই যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতো, খোঁচা দিত, তিনি ধৈর্য নিয়ে সেসব গ্রহণ করতেন। এরপর সময় বুঝে ঠিক তার উত্তর দিতেন। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে ঐতিহাসিক মুলতান টেস্টে অলক কাপালির একটি বিতর্কিত ক্যাচ আউট নিয়ে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রতিবাদ করে প্রশংসা কুড়ান আতহার।
সেই ম্যাচে অলক কাপালির তোলা এক ক্যাচ ডাইভ দিয়ে ধরেছিলেন তৎকালীন পাকিস্তানি উইকেট রক্ষক রশিদ লতিফ। কিন্তু ক্যাচটি মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। আম্পায়ার খেয়াল করেননি। লুকিয়ে বলটি গ্লাভসে নিয়ে জোরালো আবেদন করলে আম্পায়ার আউট দিয়ে দেন। থার্ড আম্পায়ারের সাহায্যও চাওয়া হয়নি সেই আউটে।
এমন অবস্থায় ধারাভাষ্য কক্ষে বসে আতহার চেঁচিয়ে উঠলেন, আমার মনে হয় না এটা পরিস্কার ক্যাচ ছিল। উত্তরে পাশে বসা পাক ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা বললেন,তুমি কি তাদেরকে (পাকিস্তানি ক্রিকেট দল) প্রতারক দাবি করছ? আতহার সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠেলেন, ‘না, আমি কেবল দেখতে চাইছি আউটের সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল কিনা’।
রমিজ রাজা খোঁচা দিয়ে বললেন, “টিপিক্যাল বাংলাদেশি কমেন্ট”। আতহারের উত্তর, ‘অ্যান্ড ইটস টিপিক্যালি ডিসমিসিভ পাকিস্তানি কমেন্ট’। দুজনের করা ঐ মন্তব্য ঝড় তুলেছিল গণমাধ্যমে। পরে শাস্তি হিসেবে রশিদ লতিফ পাঁচ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন।
‘বাংলাওয়াশ’-এর প্রচলন যেভাবে
যে ‘বাংলাওয়াশ’ শব্দ এখন ক্রিকেট সমর্থকদের মুখে মুখে ফেরে, সেটার আবিষ্কারক এই আতহার আলী খান। ধারাভাষ্য কক্ষে বসেই হুট করে বানিয়ে ফেলেছিলেন এই শব্দ।
এক সাক্ষাতকারে আতহার সেই ঘটনার বয়ান করেছিলেন এভাবে, ২০১০ সালের ঘটনা। অক্টোবর মাসের ১৭ তারিখ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে ব্ল্যাক ক্যাপদের শেষ সদস্য কাইল মিলস রুবেল হোসেনের বলে বোল্ড হলেন। বাংলাদেশ ৩ রানের জয় পেল। আমি তখন ধারাভাষ্য দিচ্ছি। পাশ থেকে নিউজিল্যান্ডের ড্যানি মরিসন বলে উঠলেন, দিস ইজ হোয়াইটওয়াশ। আমি বললাম, ‘দিস ইজ বাংলাওয়াশ’।
সেই থেকে এখনও চলছে ‘বাংলাওয়াশ’। আতহারের খুব ইচ্ছে, এই টাইগাররা একদিন সব ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে বাংলাওয়াশের স্বাদ নেবে। সেই অপেক্ষায় এখনও পড়ে আছেন। জীবিকার তাগিদে, দেশের তাগিদে, ক্রিকেট প্রেমের তাগিদে। এক যোদ্ধা হয়ে।
শুভ জন্মদিন ‘দ্য ভয়েস অব বাংলাদেশ ক্রিকেট’।