নিজের প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড ছয় ছক্কার মারে ৩৪ বলে ৬৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংসে সামর্থ্যের জানান দেন সিলেটের এই ছেলে। তার আরেকটি পরিচয় তিনি জাতীয় শুটার নাফিসা তাবাসসুমের স্বামী।
নাফিসা তাবাসসুম বছর চারেক আগেই জাতীয় শুটার হয়েছেন। তাই নাফিসা স্বামীকেও জাতীয় দলের জার্সিতে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে এখন আমরা দুজনই জাতীয় দলের খেলোয়াড়। আমি কয়েক বছর আগেই জাতীয় শুটার হয়েছি। ও (জাকের) জাতীয় দলে প্রবেশের অপেক্ষায় ছিল। অবশেষে ডাক পেয়েছে এবং খেলেছে। এটা আমাদের জন্য দারুণ গর্বের ও ভালো লাগার।
.png)
জাকের আলী অনিক বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে খেলেছেন। সেই দলের কোচ সালাউদ্দিন নির্বাচকদের সমালোচনাও করেছিলেন জাকেরকে জাতীয় দলে না ডাকায়। স্বামীর বিলম্ব নিয়ে অবশ্য আফসোস নেই নাফিসার। তিনি বলেন, আসলে আল্লাহ সকল কিছুর মালিক। জাকের এই দলে প্রথমে ছিল না। পরবর্তীতে ডাক পেয়েছে। আমরা চেষ্টা করে যেতে পারি। বাকিটা আল্লাহর ওপর।
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শুটার-ক্রিকেটারের মেলবন্ধনের ক্ষেত্র। জাকের নাফিসার চেয়ে তিন বছরের সিনিয়র। একই সময় বিকেএসপি ক্যাম্পাসে থাকায় মন দেওয়া-নেয়া হয়। পাঁচ বছর সম্পর্কের পর ২০২০ সালে বিয়ের পিড়িতে বসেন দুই ক্রীড়াবিদ।
এয়ার রাইফেল ইভেন্টে নারী বিভাগে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসা নাফিসা তাবাসসুম। ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় গ্র্যা প্রি আইএসএসএফে তিনি ব্যক্তিগত ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। মিশ্র ইভেন্টে জয় করেছিলেন রৌপ্য। ২০২৩ সালে চীনের হাংজুতে এশিয়ান গেমসেও খেলেছেন। নিজের পদক জয়ের মতোই আনন্দ পেয়েছেন সোমবার স্বামীর ইনিংস দেখে।
তাবাসসুম বলেন, আমার পদক জয় এবং অনিকের ইনিংস দুইটাই সমান আনন্দের। গতকালের দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে কারণ অনিক দারুণ খেলেছে। এই রকম ইনিংস সচরাচর কাউকে খেলতে দেখিনি।