২০০৯ সালের পর ক্যারিবীয় দীপপুঞ্জে প্রথম টেস্ট জয়ে টাইগাররা বেশ আত্মবিশ্বাসী। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ ড্রয়ে শেষ হয়। সাদা পোশাকের ক্রিকেটের বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ সবসময়ই আধিপত্য দেখানো দল। পরিসংখ্যানও দিচ্ছে সেই সাক্ষ্য।
টাইগাররা শেষ চারটি দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে। যার মধ্যে দুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজে এবং দুটি বাংলাদেশের মাটিতে। ২০২১ সালে ঘরের মাঠে এবং ২০২২ সালে উইন্ডিজে শেষ দুটি সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল লাল-সবুজের দল।
.png)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সর্বশেষ ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল। সেবার সফরকারীরা হয়েছি হোয়াইটওয়াশ। দুই দলের মধ্যে শেষ পাঁচটি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের হারের ধারাবাহিকতা ছিন্ন করার চিন্তাই আগে মাথায় থাকবে।
ওয়ানডে ফরম্যাটে দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ৪৪ বার। উভয়ই ২১টি ম্যাচ জিতেছে। বাকি দুই ম্যাচ হয়েছিল পরিত্যক্ত। তাই প্রথম ম্যাচটি দুই দলের মধ্যে সামগ্রিক লড়াইয়ে লিড নেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হবে।
আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের মতো নতুন টেস্ট দেশ এবং নিচের র্যাংকিংয়ে থাকা জিম্বাবুয়ে ছাড়া এ পর্যন্ত পুরনো টেস্ট দেশগুলোর উপর দ্বিপক্ষীয় লড়াইয়ে বাংলাদেশ জয়ের সংখ্যায় এগিয়ে নেই। আগামীকালের ম্যাচে জিততে পারলে প্রথমবারের মতো এ ধরনের রেকর্ডের স্বাদ পাবে মিরাজরা।\
বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমাদের একটি ওয়ানডে সিরিজ আসছে। এটি এমন এক ফরম্যাট, যা আমরা খেলতে ভালোবাসি। এই মুহূর্তে আমাদের কাছে ভালো ফাস্ট বোলার আছে। আমরা ভাবছি কীভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উন্নতি করা যায়। কখনো কখনো আমরা ভুল করবো। কিন্তু আমরা সেখান থেকে শিখবো।’
সিরিজটি দুই দলকেই আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য নিখুঁত প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ দেবে। বাংলাদেশের জন্য এটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আগে শেষ ওয়ানডে সিরিজ। তাই এই সিরিজের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের জন্য নিজেদের সেরা স্কোয়াড খুঁজে বের করার চেষ্টাও তাদের থাকবে। যেহেতু বাংলাদেশ তাদের প্রথম সারির খেলোয়াড়দের ছাড়াই একটি টেস্ট জিতেছে, তাই এখন তারা প্রিয় ফরম্যাটে নামার আগে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে।
নিয়মিত অধিনায়ক নাজমজুল হোসেন শান্ত আফগানিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজের সময় পাওয়া কুঁচকির চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেননি। সেজন্য তিনি সিরিজে নেই। সিনিয়র ব্যাটার মুশফিকুর রহিম এবং মিডল অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়ও ইনজুরির কারণে সিরিজ মিস করছেন।