রাজধানীতে দুই মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় সবুজবাগে মিতালী আক্তার মায়া (১৫) নামে এক কিশোরী এবং যাত্রাবাড়ীতে রাব্বী (১৮) নামে এক তরুণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার রাতে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মায়ার বাবার নাম মিজানুর রহমান মজনুর, তাদের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলায়। পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের কুসুমবাগ এক নম্বর রোডে একটি টিনশেড বাড়িতে ভাড়া থাকত তারা। স্থানীয় বিদ্যাময়ী মডেল স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত মায়া।
.png)
সবুজবাগ থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম জানান, রিকশাচালক মিজানুর রহমান ও গৃহপরিচারিকা রোজিনা আক্তার দম্পতির একমাত্র মেয়ে ছিল মায়া। সোমবার সন্ধ্যায় মেয়েটি বাসায় একাই ছিল। তখন বাবা-মা কাজ থেকে বাসায় ফিরে রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। জানালা দিয়ে দেখেন গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে মায়া। থানায় খবর দিলে রাত ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, পরিবাবেরর দাবি, মায়া মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সে।
এদিকে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম জানান, রাব্বীর বাড়ি বরগুনায়। রাব্বীর বাবার নাম মো. বেলাল ও মা রিনা বেগম। সোমবার দুপুরে পশ্চিম যাত্রাবাড়ী মদিনা মেডিকেল সংলগ্ন একটি বাড়িতে চাচাতো ভাই আবু সালেহর ভাড়া বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এরপর থানায় খবর দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বরগুনার একটি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল রাব্বী।