হতাশ হয়ে পাঁচলাইশের বেসরকারি ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে যান। সেখানে চিকিৎসা নেন সারাদিন। কিন্তু যত সময় যায়, অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত চমেক হাসপাতালে আইসিইউ পাওয়া যায়। তড়িঘড়ি করে আইসিইউতে নেয়া হলেও বাঁচানো যায়নি ডা. আরিফকে।
২ জুন থেকে জ্বরে ভুগছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৯ ব্যাচের এ শিক্ষার্থী। শুক্রবার সকালে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট অনুভূত হলে তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চিকিৎসা না পেয়ে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবার। সারাদিন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর রাতেই খবর আসে চমেকে মিলেছে আইসিইউ। পরে রাত সাড়ে ৯টায় চমেকে নিয়ে গেলে আইসিইউ সাপোর্ট দেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
.png)
ডা. আরিফ হাসানের ভগ্নিপতি মুনির উদ্দিন হাসান বলেন, চমেক হাসপাতালে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করলেও করোনা সন্দেহে কোনো চিকিৎসক, নার্স কিংবা ওয়ার্ডবয় আরিফের কাছে আসেনি। আইসিইউ তো দূরে থাক, একটি কেবিনও পাওয়া যায়নি।
চমেক হাসপাতালের ডা. রহমান বলেন, রাত সাড়ে ৯টায় আইসিইউ ব্যবস্থা হওয়ায় ডা. আরিফের পরিবারকে খবর দেয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে আনার পর আইসিইউ সাপোর্ট দেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
ডা. আরিফ হাসান থাকতেন চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার লাভ লেন আবেদীন কলোনিতে। তিনি পাহাড়তলীতে একটি প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখতেন।