এলাকায় একজন সৎ ও মেধাবী হিসেবে পরিচিত ইউএনও ওয়াহিদা খানম গত সোমবার তার গ্রামের বাড়ি মহাদেবপুর থেকে চাকরিস্থল ঘোড়াঘাটে যান।
আরো পড়ুন: ভয়াবহ বিস্ফোরণের পরও মসজিদে অক্ষত আছে কোরআন!
.png)
জানা গেছে, নওগাঁর মহাদেবপুরের দক্ষিণ দুলাল পাড়া মহল্লায় বেড়ে উঠেছেন ওয়াহিদা খানম। তার পিতা-মাতা থাকেন সদ্য নির্মাণ করা সবুজ গাছপালায় আচ্ছাদিত একতলা একটি বাসায়। গত সোমবার এ বাসা থেকেই ঘোড়াঘাট চাকরিস্থলে যোগ দেন তিনি। এলাকায় ইউএনও ওয়াহিদা, পলি নামেই পরিচিত।
এলাকাবাসী জানান, পলি খুব ভালো। আমরা ভাবিনি তার এমন শত্রু থাকতে পারে।
ওয়াহিদা খানম নওগাঁর মহাদেবপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও জাহাঙ্গীরপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় অনার্সসহ মাস্টার্সের পর মহাদেবপুর আখেড়াসহ দুটি বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ছয় বছর শিক্ষকতা করেন।
এলাকাবাসী বলেন, খুব ভালো একটি মেয়ে। এছাড়া সৎ এবং নির্ভীক। তার যে এমন শত্রু থাকতে পারে আমরা আসলে ভাবতেও পারছি না।
শিক্ষকতার মাঝেই ওয়াহিদা খানম ৩১তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসনিক ক্যাডারে প্রথমে দিনাজপুরের পীরগঞ্জে তারপর ইউএনও হিসেবে ঘোড়াঘাট উপজেলায় যোগ দেন।
ওয়াহিদার চাচা সুনাম চৌধুরী বলেন, যেহতেু সে অনেক কাজে জড়িত। তার কোনো কাজে হয়তো কারো মনক্ষুণ্ন হতে পারে।
আরো পড়ুন: হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্য দেখে চোখে পানি চলে আসে
উল্লেখ্য, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ভেন্টিলেটর ভেঙে প্রবেশ করে তার ও তার বাবার ওপর হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এর আগে গেটে দারোয়ানকে বেঁধে ফেলে তারা। গুরুতর আহত ইউএনও ও তার বাবাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ইউএনও ওয়াহিদাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।