সোমবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ১৫ দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৩৭২ জন বাংলাদেশি ও ভারতীয় নিজ দেশে প্রবেশ করেছেন। এরমধ্যে বাংলাদেশি ২৫৫ জন।
আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারত ফেরতদের হাসপাতাল এবং আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর, আখাউড়া ও বিজয়নগর উপজেলায় পাঁচটি আবাসিক হোটেলে ১২২ জন ও বিভিন্ন হাসপাতালে ১০০ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া সশস্ত্রবাহিনীর ৩৩ জন সদস্যকে সিএমএইচএ-এ পাঠানো হয়েছে।
.png)
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুর রহমান বলেন বলেন, ভারত থেকে বেশি লোক আসার কারণে কিছুটা ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। কেউ যদি করোনা সংক্রমিত হয়ে আসে তাহলে সেটা আমাদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
আখাউড়ার ইউএনও মোহাম্মদ নূর-এ-আলম বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ভারত ফেরতদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে জেলা প্রশাসনের দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। যারা কোয়ারেন্টাইনে আছেন তাদের পাসপোর্ট আমরা সংরক্ষণ করছি। কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ার ছাড়পত্র দেখিয়ে তারা পাসপোর্ট ফেরত পাবেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান বলেন, আখাউড়া স্থল বন্দর হয়ে ভারত থেকে যাত্রী প্রবেশের হার বেড়েছে। এ অবস্থায় ভারত ফেরতদের বর্তমানে বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। এ সংখ্যা আরো বাড়লে পাশের জেলায় কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হবে।