উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী পানবাজার এলাকার শরীফ আহামদ বলেন, আমার মূল পেশা কৃষিকাজ। বাব-দাদার আমল থেকে কৃষিকাজ করে সংসার চালাচ্ছি। কিন্তু ২০১৭ সালে ব্যাপকভাবে রোহিঙ্গা আসার পর থেকে আমিসহ অনেক স্থানীয় মানুষের জন্য গলার কাঁটা হয়ে গেছে।
রোহিঙ্গাদের জন্য আমরা নিজেদের ঘরে রান্না করে খাবার তৈরি করে দিয়েছি। রাতে থাকতে দিয়েছি, নিজেদের ঘরের জিনিসপত্র দিয়ে তাদের ঘর তৈরি করে দিয়েছি। কিন্তু এখন তাদের ফেলা বর্জ্য এবং ব্যবহৃত মলমূত্র আমাদের জমিতে এসে পড়ছে। কয়েক বছর ধরে এই অসহনীয় অবস্থা। ফলে আমাদের সেসব জমিতে আর চাষাবাদ করা যাচ্ছে না।
.png)
এ ব্যাপারে উখিয়ার পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল গফুর চৌধুরী বলেন, আমার জানা মতে অন্তত ১৫০ একর জমিতে রোহিঙ্গা বর্জ্য ফেলার কারণে স্থানীয় মানুষ তাদের নিজস্ব জমিতে চাষাবাদ করতে পারছেন না। এছাড়া প্রায় ১০০ একর জমিতে রোহিঙ্গাদের জন্য সুরক্ষা কর্মসূচির জন্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। ফলে সেই জমিতে চাষাবাদ করা যাচ্ছে না।
চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমার নিজের ৩ একর ৬০ শতাংশ জমিও সেখানে পড়েছে। অনেক জায়গায় অভিযোগ দিয়েছি কেউ কোনো কথাই বলেন না।
এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, অনেক জায়গায় রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়দের বেশ কিছু সমস্যা হচ্ছে এটা সত্য। তবে আমাদের পক্ষ থেকে সবসময় স্থানীয়দের জন্য সহায়তা থাকে।