ফিল্মি কায়দায় গৃহবধূকে তুলে নিয়ে টানা তিন ঘণ্টা ধর্ষণ
চুয়াডাঙ্গায় গুড় কিনতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। ফিল্মি স্টাইলে গাড়ি থেকে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পালাক্রমে তিন ঘণ্টা ধর্ষণের পর তার বাসায় ফেলে রেখে যায় ধর্ষকরা।
গত ২৫ ডিসেম্বর চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার নীলার মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। পরে গতকাল সোমবার অভিযোগ পেয়ে রাতে অভিযান চালিয়ে ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতার দুইজন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুমিরদিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন ও আলী হোসেনের ছেলে নাজিম হোসেন।
.png)
জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর খেজুরের গুড় কিনতে আব্দুল আলীমের বাড়ি যান ওই গৃহবধূ। রাত ৮ টার দিকে পাখি ভ্যান (স্থানীয় যান) চড়ে বাড়ি ফেরার সময় অভিযুক্ত তিনজন মোটরসাইকেল করে এসে গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর ওই গৃহবধূকে তুলে নেয় তারা। এই সময় ওই পাখিচালক বাধা দিলে তাকেও মারধর করে অভিযুক্তরা। পরে তারা গৃহবধূকে পৌরসভার বুজরুকগড়গড়ী মাদারতলা রোডের ইটভাটার পটের পার্শ্বে আম বাগানে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর রাত ১২ টায় ঐ গৃহবধূকে তার বাড়িতে দিয়ে যায় অভিযুক্তরা। লোকলজ্জার ভয়ে দুইদিন চুপ থাকার পর গতকাল রাতে ওই তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন গৃহবধূ। মামলা দায়েরের সঙ্গে সঙ্গেই অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানান, ঘটনাটি ২৫ ডিসেম্বরের। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে গৃহবধূ এতদিন মুখ খুলেননি। গতকাল রাতে অভিযোগ জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা অনেকটা ফিল্মি কায়দায় একটি চলন্ত ভ্যান গতিরোধ করে গৃহবধূকে একটি মোটরসাইকেল করে তুলে নিয়ে যায়। পরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তিন ঘণ্টা পর আবার সেই গৃহবধূকে তার বাড়িতে রেখে যায় ধর্ষকরা। অভিযুক্ত পলাতক বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।