বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লঞ্চটিকে জব্দ করে পুড়ে যাওয়া মালামাল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড ও অর্ধশতাধিক নিহতের ঘটনায় সোমবার রাতে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা হয়েছে। এতে লঞ্চের মালিক হামজালাল শেখ ও স্টাফসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে ২০-২৫ জন কর্মচারীকে আসামি করা হয়েছে। ঢাকার ডেমরার বক্সনগর এলাকার বাসিন্দা মনির হোসেন মামলাটি করেন। তার বোন তাসলিমা আক্তার, ভাগনি সুমাইয়া আক্তার, সুমনা আক্তার তানিসা ও ভাইয়ের ছেলে জুনায়েদ ইসলাম ছিলেন ঐ লঞ্চে। তারা সবাই নিখোঁজ।
.png)
ঝালকাঠি সদর থানার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, মামলার আলামত হিসেবে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ ও কিছু মালামাল জব্দ করে থানায় নিয়ে রাখা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেওয়া হবে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত। এছাড়া গ্রেফতারকৃত আসামিদের দৃশ্যমান গ্রেফতার দেখানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে।
ওসি’র দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক আব্দুল মালেক জানান, মামলায় দাহ্য পদার্থ নিয়ে বেপরোয়া জাহাজ চালানো এবং অবহেলা জনিত কারণে মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়েছে।