চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল নয় হাজার আটজন শিক্ষার্থী। এবার বেড়েছে সেই সংখ্যাও। তিন হাজার ৭৮৩ জন বেড়ে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
.png)
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবার ২০৪টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এক হাজার ৭৬টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৭৮ জনের মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৩৬ জন। পাস করেছে এক লাখ ৪৪ হাজার ৫৫০ জন। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৬৭ হাজার ১৭১ ও ছাত্রী ৭৭ হাজার ৩৭৯। ছাত্রের পাসের হার ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় পাঁচ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি এবং ছাত্রীর পাসের হার ৯১ দশমিক ৯৯ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।
আরো পড়ুন: তীব্র শীতেও দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দিনাজপুরে
জিপিএ-৫ পাওয়া ১২ হাজার ৭৯১ জনের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৮২, যা গত বছরের তুলনায় এক হাজার ১৩৭ জন বেশি এবং ছাত্রী সাত হাজার ৪০৯, যা গত বছরের তুলনায় দুই হাজার ৬৪৬ জন বেশি।
এদিকে, মহানগরসহ চট্টগ্রাম জেলায় এবার ১১২টি কেন্দ্রে ৭১০টি প্রতিষ্ঠানের এক লাখ নয় হাজার ৯৪৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৫০ হাজার ৯৪১ জন ও ছাত্রী ৫৯ হাজার ছয় জন।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার সংক্ষিপ্ত আকারে এবং শুধুমাত্র তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেয়া হয়। প্রতি বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষা হয় ৫০ নম্বরের এবং পরীক্ষার সময়ও ছিল অর্ধেক। অর্থ্যাৎ, তিন ঘন্টার পরীক্ষা নেয়া হয় দেড় ঘন্টায়। ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয়ের যে পরীক্ষা নেয়া হয়নি, সেসব বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের জেএসসি ও নবম শ্রেণির ফল মূল্যায়ন করেই ফলাফল তৈরি করা হয়।