স্থানীয়দের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি। এর আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার রবিউল হোসাইন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ স্থানীয়দের অগ্রাধিকারের কথা বলা হলেও রয়েছে মাত্র ৫ শতাংশের কাছাকাছি। চাকরিদাতা এনজিওগুলোর প্রতিনিধিদের বারবার বলার পরেও তারা এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বরং বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে স্থানীয়দের চাকরিচ্যুত করছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়রা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে রোহিঙ্গারা অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন তারা।
.png)
ইয়াবা, মানব পাচার ও হাটবাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরের অভ্যন্তরে অন্তত ১৪টি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর মধ্যে হামলা, সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। চলছে অস্ত্রের মহড়াও। অপহরণ, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধ বাড়ছে।
স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের ভাষ্য, মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন বিলম্বিত ও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে শিবিরগুলোকে অস্থিতিশীল করে তোলা হচ্ছে।
বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯১৩ জন।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট লাখে লাখে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। ঐ সময় আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগেও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিল। গত চার বছরে নতুন করে দুই লাখ রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হওয়ায় তাদের সংখ্যা বেড়েছে।