ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মৃত্যুপুরীতে শেখ ফরিদের পরিবার

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:১৫, ৪ জানুয়ারি ২০২২
মৃত্যুপুরীতে শেখ ফরিদের পরিবার
কাঁঠালিয়া নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় তামান্না আক্তার (৫) নামে নিখোঁজ আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

মৃত্যুপুরীতে দাঁড়াল কুমিল্লার মেঘনার শেখ ফরিদের পরিবার। মামার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সময় মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনায় তার তিন সন্তানের সবাই মারা গেছে। তার চিৎকারে এলাকার আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয়ে উঠছে। 

ট্রলারডুবির ঘটনায় তামান্না আক্তার (৫) নামে নিখোঁজ আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪ এ। 

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ওই নিখোঁজ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চালিভাঙ্গা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আবু আবদুল্লাহ জানান, সোমবার ঘটনার পর তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এক শিশু নিখোঁজ ছিল। তাকে উদ্ধারে চাঁদপুর থেকে আসা একটি ডুবুরি দল সোমবার বিকেল ৪টা থেকে অভিযান শুরু করে। তবে প্রবল স্রোত, তীব্র ঠান্ডা ও কচুরিপানার কারণে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উদ্ধার অভিযান বন্ধ করা হয়। মঙ্গলবার আবারো উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। 

Advertisement

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থলের পাশ থেকে শিশু তামান্নার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

জানা যায়, সোমবার দাউদকান্দি উপজেলার হাসনাবাদ এলাকা থেকে তিতাসের দুধঘাটা দরিয়াকান্দির উদ্দেশে ১১জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার যাত্রা করে। দুপুর ১টার দিকে ট্রলারটি মেঘনা উপজেলার চরকাঁঠালিয়া নামক স্থানে পৌঁছলে একটি মাছের ঘেরে আটকা পড়ে। এ সময় ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। 

তারা হলেন, তিতাস উপজেলার রায়পুর গ্রামের আব্দুল মতিন মিয়ার স্ত্রী জুলেখা আক্তার (৬০), তার নাতনি আয়েশা আক্তার (১৫) ও মরিয়ম আক্তার (৭)। শিশু তামান্না নদীতে তলিয়ে যায়। বাকি সাতজনকে মেঘনার এলহাম হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চরকাঠালিয়া এলাকাটি বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্ধার কাজে দেরি হয়। 

জানা যায়, নিহতরা সবাই ঢাকার ডেমরা এলাকায় বসবাস করতেন। মামার বাড়ি যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হয় তারা। নিহত তিন শিশু-কিশোরীর বাবার নাম শেখ ফরিদ। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!