শুক্রবার রাতে তাকে আটক করা হলেও শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া।
গ্রেফতার রানা দেওয়ানজী উপজেলার পশ্চিম কেরোয়া দেনওয়াজী বাড়ির মো. সবুজ দেওয়ানজীর ছেলে। তিনি এলাকায় ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ হিসেবে ব্যাপক আলোচিত ও পরিচিত। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
.png)
ভুক্তভোগীরা জানান, পুলিশের নাম ভেঙে ৫ জানুয়ারি উত্তর রায়পুর গ্রামের রিমি বেগম নামের এক নারীর কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা নেন রানা। এর পরদিন সন্ধ্যায় চার-পাঁচটি মোটরসাইকেলে ১০-১২ জনকে নিয়ে চরপাতা গ্রামের দিনমজুর সিরাজ উল্যার বাড়িতে হানা দেন। ওই পরিবারকে মারধর করে এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন তারা।
মেয়ের বিয়ের জন্য এ টাকা একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ওই পরিবারটির চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে একটি মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যান কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ নিয়ে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী নারী ও দিনমুজর। এরপর রানাকে শহর থেকে আটক করে পুলিশ।
দিনমজুর সিরাজ উল্যা বলেন, আজ আমার মেয়ের বিয়ে। বিয়ের জন্য এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে এক লাখ টাকা জোগাড় করেছিলাম। কিন্তু স্ত্রী-মেয়ের সামনে আমাকে মারধর করে টাকাগুলো ছিনিয়ে নেন রানা। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
গৃহবধূ রিমি বেগম বলেন, পুলিশের নাম ভেঙে আমার কাছ থেকে ৯ হাজার টাকা নেন রানা। গ্রেফতার হওয়ার পর তার কাছ থেকে আমার টাকা উদ্ধার করে দিয়েছে পুলিশ।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, রানা দেওয়ানজীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।