রোববার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার (এসপি) নাঈমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনায় প্রায় ১২০০ ঘর পুড়ে গেছে।
জানা গেছে, রোববার বিকেল ৫টার দিকে উখিয়া পালংখালী ১৬ নং ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে এপিবিএন এবং ফায়ার সার্ভিসের দলসহ ক্যাম্পের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভাতে কাজ করে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে।
.png)
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) পুলিশ সুপার (এসপি) নাঈমুল হক বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি বসতঘর থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
আরো পড়ুন: পানিতে ডুবে পাগলের মৃত্যু
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার বালুখালী ২০ নম্বর ক্যাম্পে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত করোনা হাসপাতালে আগুন লাগে। এতে ৬০-৭০টি বেড, ফ্রিজ, অক্সিজেন সিলিন্ডার পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। রোববার (২ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ২০নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ওই হাসপাতালে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট। প্রায় আধাঘণ্টার প্রচেষ্টায় হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১৪-এর (এপিবিএন) পুলিশ সুপার (এসপি) নাইমুল হক। তিনি জানান, ১৪ এপিবিএনের ওয়ালা পালং পুলিশ ক্যাম্পের রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০ এক্স-এর হেলিপ্যাডের পাশে অবস্থিত সারি আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টারে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ওই স্থানে টহলরত পুলিশ আগুন দেখে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।