ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:১৫, ১১ জানুয়ারি ২০২২
বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জ

বগুড়ায় প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জ মারা গেছেন। সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

নিহত অরেঞ্জ বগুড়া সদর উপজেলার মালগ্রাম দক্ষিণপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ বগুড়া জেলা শাখার সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সহ-সম্পাদক ছিলেন।

বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, অরেঞ্জের মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Advertisement

২ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া শহরের মালগ্রামের ডাবতলা এলাকায় অরেঞ্জকে গুলি করে প্রতিপক্ষ। এ সময় তার বন্ধু আরেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিনহাজ শেখ আপেলও গুলিবিদ্ধ হন। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে অরেঞ্জকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে অরেঞ্জ ও আপেলকে গুলি করে প্রতিপক্ষ। এর আগে রজমানের ঈদের পর একবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই হামলার শিকার গ্রুপটিই প্রতিশোধ নিতে এবার গুলি চালায়।

ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে মালগ্রাম ডাবতলার মোড়ে বসে কথা বলছিলেন অরেঞ্জ ও আপেল। এ সময় মালগ্রাম বেলতলা মোড় থেকে চার-পাঁচটি মোটরসাইকেলে একদল যুবক ডাবতলা মোড়ের দিকে যায়। তাদের মধ্য থেকে দুজন অরেঞ্জ ও আপেলকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েকটি গুলি ছোড়ে। দুটি গুলি অরেঞ্জের বাম চোখের নিচে লাগে। আর তার সঙ্গে থাকা আপেলের পেটে গুলি লাগে। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই সাতজনের নামসহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন অরেঞ্জের স্ত্রী স্বর্ণালী আক্তার।

মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক জাকির আল আহসান জানান, এ ঘটনায় এক আসামি গ্রেফতার হয়েছেন। তার নাম টিপু। তিনি মালগ্রামের কসাইপাড়া এলাকার আইনুলের ছেলে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!