বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাজার সংলগ্ন বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মুক্তা একই এলাকার আল-আমিনের স্ত্রী।
নিহতের বাবা রফিজল হক বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। ছেলে না হওয়ায় মেয়েকে হত্যা করেছেন আমার জামাই। প্রশাসনের কাছে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
.png)
ভোলা সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আরমান হোসেন জানান, আল-আমিনের ঘরের আড়ার সঙ্গে মুক্তার মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন নিহতের স্বামী আল-আমিন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
এদিকে, ভোলার চরফ্যাশনে চুরি করা হাঁস দিয়ে পার্টি করার অভিযোগ উঠেছে নবনির্বাচিত এক ইউপি সদস্য ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের নাম মো. নীরব হাওলাদার। তিনি উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য। হাঁস পার্টির ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি বাড়ির মো. বেল্লাল মুন্সি জানান, ১৬ জানুয়ারি রাতে তার সাতটি দেশি হাঁস চুরি হয়। পরে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন পার্শ্ববর্তী টবগী বাড়ির মো. রুহুল আমিনের ঘরে ‘হাঁস পার্টি’র আয়োজন চলছে।
তিনি আরো জানান, তার কথা মতো রুহুল আমিনের ঘরে গিয়ে হাঁস পার্টির ভিডিও ধারণ করা শুরু করেন স্থানীয় জামাল বকশী। বিষয়টি দেখে খাবার রেখেই পালিয়ে যান স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নীবর হাওলাদার ও তার কর্মীরা।