মাদারীপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লাইলাতুল ফেরদাউস সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে এ আদেশ প্রদান করেন। এ সময় সাজাপ্রাপ্ত ৪ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাজা প্রাপ্ত এক আসামি মামলার পর পরই দেশত্যাগ করেন।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ১৪ অক্টোবর মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম এলাকার গুরুপদ বৈদ্যর স্ত্রী রাধা রানী বৈদ্যকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে অপহরণ করে। এরপরের দিন রাধা রানীর ছেলে বিষ্ণপদ বৈদ্য ৬ জনকে আসামি করে রাজৈর থানায় একটি অপহরণ মামলা করে।
.png)
আরো পড়ুন >>> চঞ্চলকে চিরদিনের জন্য থামিয়ে দিল বেপরোয়া ট্রাক
মামলার ১১ দিন পরে পাখুল্লা বিল থেকে রাধা রানী বৈদ্যর মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
মামলার আসামিরা হলেন অশোক বৈদ্য, নরেন বৈরাগী, কালু বিশ্বাস, তরুনী বেদ্য, বিজয় বেপারী, গৌরাঙ্গ বৈদ্য। এদের মধ্যে গৌরাঙ্গ বৈদ্য মামলা চলাকালে মারা যান এবং আসামি বিজয় বেপারী পলাতক রয়েছেন।
আরো পড়ুন >>> হেলপারকে নিজের আসনে বসিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন চালক, এরপর...
দীর্ঘ ২০ বছর পরে মামলার সাক্ষী প্রমাণ শেষে আদালত ৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ জনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। নিহতের ছেলে গৌরাঙ্গ বৈদ্য রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।