রোববার বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউপির কুতুবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাকি একই গ্রামের আ. মন্নাছের কন্যা।
জানা যায়, লাকি খুবই শান্ত স্বভাবের লাজুক মেয়ে। স্থানীয় খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা করতেন। আজ বিকেলে পরিবারের লোকজন বাড়িতে না থাকায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দেয়। তার মা বাড়িতে ফিরে এসে দেখতে পান ঘরের দরজা খোলা। মেয়ে ফাঁস দিয়ে ঝুলঁছে। তার ডাক চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে তাকে নিচে নামিয়ে আনে। ততক্ষণে লাকি আক্তার মারা যায়। তবে কি কারণে ফাঁস দিয়েছেন এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না।
.png)
কলেজছাত্রীর বাবা জানান, মেয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল তার চিকিৎসাও চলমান ছিল। কিন্তু সে পরিপূর্ণ সেরে উঠছিল না। এই হতাশা থেকেই হয়তো এমন কাজ করেছে।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, পরিবারের পক্ষে অভিযোগ না থাকায়, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।