বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য আসামি সেলিম হোসেন ও নাজমা বেগমের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর সদর উপজেলর আটিগ্রাম ইউনিয়নের বার্তা এলাকার মো. রেজাউল করিমের ছেলে দাখিল পরীক্ষার্থী শরিফুল ইসলামকে শত্রুতার জেরে ছুরি দিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে আটিগ্রাম ইউনিয়নের মাদবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্ব থেকে স্থানীয়রা আহত শরিফুলকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
এ ঘটনায় সেলিমসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করে শরিফুলের বড় ভাই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে ৯ আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন সদর থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম।
বাকি চারজন আসামির মধ্যে রায়ের আগেই মারা যান ২ নম্বর আসামি রহিজ উদ্দিন। আর মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন ৩ নম্বর আসামি রাজু হোসেন। আদালতের বিচারক সেলিম হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। মামলার আরেক আসামি নাজমা বেগমের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
মামলায় মোট ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ফটো ও অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট মথুর নাথ সরকার।