মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার অ্যাডওয়ার্ড (পৌর) পার্কে এ ঘটনা ঘটে। ২০ বছর বয়সী মিরাজ সদর উপজেলার বৃন্দাবনপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুর রহমান। তিনি শহরের দুই নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য ও পেশায় অটোরিকশার মেকানিক।
জানা গেছে, সদরের বাদুরতলা এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে মিরাজের প্রেম ছিল। সম্প্রতি মেয়েটি মিরাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে ওই যুবকের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন মিরাজ। এরপর থেকে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের হুমকির শিকার হতেন তিনি।
.png)
মঙ্গলবার বিকেলে দ্বন্দ্ব মীমাংসা করার জন্য মিরাজকে অ্যাডওয়ার্ড পার্কে আসতে বলেন ওই যুবক। পরে বন্ধু নাজমুলকে নিয়ে পার্কে যান মিরাজ। এরপর দ্বন্দ্ব মীমাংসার জন্য তারা আলোচনা করতে থাকেন। একপর্যায়ে মিরাজ ও নাজমুলকে মারধরের পর ছুরিকাঘাত করেন মেয়েটির বর্তমান প্রেমিকসহ চার-পাঁচজন।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়। সেখানে মিরাজকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নাজমুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
নিহত মিরাজের ভাই আতাউর রহমান জানান, প্রেমের জেরে মিরাজকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। তাকে অ্যাডওয়ার্ড পার্কে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
বগুড়া ছিলিমপুর (মেডিকেল) পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. শামীম হোসেন জানান, মিরাজকে শজিমেক হাসপাতালে নেয়ার পরই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তার পেটে ও পাঁজরে কয়েকটি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি মো. সেলিম রেজা জানান, হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা যায়নি। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।