আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিকে হাজির হওয়ার সমন জারি করার আদেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্র জানায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বক্তব্যে তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লা ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। জাফরুল্লাহ চৌধুরীর এমন বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্র ইউনিয়নের ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দণ্ড বিধির ৫০০ ধারায় মানহানির মামলা করেছেন ছাত্র ইউনিয়নের শরীয়তপুর জেলা সভাপতি সাইফ রুদাদ।
.png)
ছাত্র ইউনিয়নের শরীয়তপুর জেলা সংসদের সভাপতি সাইফ রুদাদ বলেন, কাদের মোল্লা একজন প্রতিষ্ঠিত ও প্রমাণিত যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধী ছিলেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং তা কার্যকর করা হয়। তার মতো ঘৃণ্য ব্যক্তিকে ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে জড়িয়ে বক্তব্য দিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ইতিহাস বিকৃতি করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মানহানির মামলা করেছি।
বাদীর আইনজীবী আজিজুর রহমান রোকন বলেন, জাফরউল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে করা মানহানি মামলাটি আদালত আমলে নিয়েছেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস আদেশ দিয়েছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হাজির হওয়ার সমন জারি করার জন্য।