এ ঘটনায় বুধবার সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের নীলটেক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীরা হলেন- এলাকার ওমর আলীর মেয়ে ২৪ বছর বয়সী নুরজাহান, সিংগাইর পৌর এলাকার নয়াডাঙ্গী গ্রামের রবিউলের মেয়ে ১৪ বছরের পায়েল আক্তার ও আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী ৫০ বছরের সুফিয়া বেগম।
.png)
জানা গেছে, তিন সপ্তাহ আগে জিনের বাদশা পরিচয় দিয়ে পায়েল আক্তারের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে অজ্ঞাত প্রতারক। পরে ভয়ভীতি ও লোভ দেখিয়ে একপর্যায়ে নীলটেক ব্রিজের উত্তর পাশে ভুয়া স্বর্ণের মূর্তি রেখে যায় প্রতারক চক্র। আর সেই মূর্তি বাড়িতে নিয়ে সংগ্রহে স্বর্ণের কলস পাবে।
ধনী হওয়ার লোভে ভুক্তভোগী পরিবার মূর্তি সংগ্রহ করার পরপরই তিনটি পরিবার কিছু বুঝে ওঠার আগেই ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও বিকাশের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে দেয়। এরপর প্রতারক চক্র মোবাইল ফোনে ক্ষতি হবে বলে কাউকে বিষয়টি না বলার জন্য নিষেধ করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে আত্মীয়স্বজনকে জানান ভুক্তভোগীরা। পরে প্রতারকের নম্বরে ফোন দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোহা. রেজাউল হক বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।