কলাবাগানে নারীর পোড়া লাশ, পরিচয় নিয়ে জটিলতা
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ষোলোদাগ এলাকার মতিন হাইস্কুলের কাছে কলাবাগান থেকে এক নারীর পোড়া লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শনিবার গভীর রাতে ষোলোদাগ এলাকা থেকে অভিযুক্ত মো. লালন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে একই দিন বিকেল ৫টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম সজনী খাতুন। ২৮ বছর বয়সী সজনী জেলার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া রানাখড়িয়া এলাকার সিরাজুল হকের মেয়ে। গ্রেফতার ৪৫ বছরের লালন ষোলোদাগ এলাকার সলিম উদ্দিনের ছেলে।
ভেড়ামারা থানার ওসি (তদন্ত) নান্নু খান জানান, শনিবার সকালে ভেড়ামারা থানায় স্ত্রী নিখোঁজের অভিযোগে জিডি করেন লালন। জিডিতে বলা হয়, ১৬ ফেব্রুয়ারি বাবার বাড়ি যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন সজনী।
শনিবার বিকেলে অভিযোগ করতে থানায় যান সজনীর মা-বাবা। বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, ১৩ বছর আগে লালনের সঙ্গে সজনীর বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। কিছুদিন ধরে স্ত্রীকে নির্যাতন করছিলেন লালন। একপর্যায়ে বাবার বাড়ি চলে যান সজনী।
১৬ ফেব্রুয়ারি জোর করে সজনীকে বাড়ি নিয়ে যান লালন। ১৭ ফেব্রুয়ারি ফোনে শাশুড়িকে জানান তার স্ত্রীকে পাওয়া যাচ্ছে না।
ওসি জানান, শনিবার বিকেলে সজনীর মা-বাবা থানায় থাকাকালীন নারীর পোড়া লাশ পাওয়ার খবর আসে। লাশ দেখে সজনীর মা-বাবা এটি মেয়ের বলে শনাক্ত করলেও লালন অস্বীকার করেন। পুলিশ সে সময় লালনকে আটক করে।
নান্নু বলেন, ‘আমরা তদন্ত করে নিশ্চিত হয়েছি, এটি সজনীর লাশ। তার বাবা শনিবার রাতে লালনের নামে হত্যা মামলা করেন। মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।