শুধু তাই নয়, যে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী লালনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, সেই স্ত্রী নিজেই এখন স্বামী লালনকে থানা থেকে ছাড়াতে ঢাকা থেকে ভেড়ামারা থানার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
এদিকে পুলিশ এখন খুঁজছে পোড়া মরদেহটির পরিচয়। সজনী এসে পৌঁছালেই হত্যার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত সজনীর স্বামী লালনকে ছেড়ে দেবে পুলিশ।
.png)
আরো পড়ুন: বড় ভাইয়ের প্রেমিকাকে নিয়ে সাগর পাড়ি, পাহাড় ঘুরেও হয়নি রক্ষা
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় বাহিরচর ইউনিয়নের ১২ দাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের কলাবাগান থেকে দগ্ধ ওই নারীর মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এদিন সকালেই স্ত্রী সজনী নিখোঁজের জিডি করেন লালন। সজনীর বাবা-মা তাদের মেয়ের মরদেহ বলে শনাক্ত করলেও স্বামী লালন বলেন এটি তার স্ত্রীর মরদেহ নয়। রাতে সজনীর বাবার করা হত্যা মামলায় লালনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সজনীর বাবা পুলিশকে জানিয়েছেন, মেয়ে সজনীর সঙ্গে তারা ভিডিওকলে কথা বলেছেন। সে ঢাকায় আছে। সজনী ভেড়ামারার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
ভেড়ামারা থানার ওসি-তদন্ত নান্নু খান বলেন, সজনী চলে আসলে তার স্বামী লালনকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এদিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দগ্ধ মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। মরদেহ ভেড়ামারা থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছেন, অজ্ঞাত হিসেবে দাফন করার জন্য মরদেহটি ভেড়ামারা পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হবে।