তার দাদার রেখে যাওয়া ৩৩৩.২৯ শতাংশ সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও সুদীর্ঘ সময় পর্যন্ত অন্যের বাড়িতে থাকতেন, ছিল না মাথা গোঁজার ঠাঁইও। সমাজপতিদের হাত করে তাকে অত্যাচার আর তার দরিদ্রতার সুযোগে কতিপয় দুষ্কৃতকারী জোর করে তার ভিটেবাড়িসহ সব সম্পত্তির দখল করে নেয়। পরে অসহায় ফজলুর পরিবার সর্বশেষ আশ্রয় নেয় আদালতে।
প্রতিপক্ষ মোতালিবের বিরুদ্ধে ১৯৯৯ সালে মৃত চেরাগ আলীর বড় ছেলে আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। দরিদ্রতার কারণে বেশিদিন চালাতে পারেনি সেই মামলা। ভেঙে যায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন, মামলার কিছুদিন পর এক বুক জ্বালা নিয়ে দুনিয়া থেকে চলে যায় জব্বার, জীবন সংগ্রামে বেঁচে থেকে মামলার হাল ধরেন স্ত্রী শমলা খাতুন। ঝিমিয়ে পড়া মামলা ২০০৫ সালে নতুন করে আবার আর একটি মামলা করেন জব্বারের ছোট ভাই ফজলুল হক।
.png)
তিনবার আদালত ফজলুর হকের পক্ষে রায় দিলেও বিবাদীরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে থাকে, সর্বশেষ মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতের রায় বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে ফজলুর পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তার সম্পত্তি। ন্যায় বিচার পাওয়ায় আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফজলুল হক পরিবার।
ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছরে প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছি। আদালতের মাধ্যমে ন্যায় বিচার পেয়েছি। আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।