মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে দাগনভূঞা পৌর শহরের আমানউল্যাহপুর গ্রামের হাসপাতাল রোডস্থ জননী ম্যানশনে বাধর্ক্যজনিত কারণে মারা যান ফেনী পলিটেকনিক ইনস্ট্রিউটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাজি আবু আহমেদ মাস্টার। তিনি উপজেলার উদরাজপুর গ্রামের মনু হাজিবাড়ির বাসিন্দা।
স্বজনরা জানান, আবু আহমেদের সাত ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে ছেলে নেছার হাফেজ, সোহেল, কাউছার, হেলাল ও দুই মেয়ে জেসমিন আক্তার এবং গোলশান আরাকে সব সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করে স্ত্রী ফিরোজা বেগম, ছেলে ইমাম উদ্দীন পারভেজ, এনায়েত উল্যাহ ফরহাদ ও নেয়ামত উল্যাহকে সমুদয় সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেন।
.png)
জীবিত অবস্থায় মাস্টার আবু আহমেদ সম্পত্তি বঞ্চিতদের কোনো সম্পত্তি না দেওয়ায় সন্তানরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা সম্পত্তির বিষয় সামাধান না হওয়া পর্যন্ত তাদের বাবা আবু আহমেদকে দাফনে বাধা দেন।
এ সময় ভাই-বোনদের মাঝে সম্পত্তির বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ কল করলে সেখান থেকে দাগনভূঞা থানাকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সন্তানদের নিয়ে বৈঠকে বসে সম্পত্তির বিষয়টি পরে সমাধান করার আশ্বাস দেওয়া হয়। মৃত্যুর ১৪ ঘণ্টা পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
দাগনভূঞা থানার ওসি হাসান ইমাম বলেন, লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দাফনের ব্যবস্থা করি। সম্পত্তির বিষয় নিয়ে পরে সবাইকে নিয়ে বৈঠকের মাধ্যমে সমাধান করা হবে।