খুনের ঘটনায় মঙ্গলবার ভোরে হত্যার পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে গ্রেফতারের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার।
এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের রামু মরিচ্যা বিজিবি চেকপোস্টের হাজির বাড়ি এলাকার একটি ব্রিজের নিচ থেকে সকালে অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ ওয়ায়েজের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার শরীরে অন্তত ১৮টি ছুরিকাঘাতের চিহ্নের কথা জানায় পুলিশ। এ ঘটনার দুইদিন পর নিহতের বাবা মো. জাহাঙ্গীর আলম রামু থানায় হত্যা মামলা করেন।
.png)
গ্রেফতাররা হলেন, ওয়ায়েজের বন্ধু নুরুল ইসলাম প্রকাশ গুরাইয়া, আবু হেনা ওরফে হানিফ এবং রোহিঙ্গা মোহাম্মদ হোসেন ও আরিফ হোসেন। হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী গুরাইয়া। এ ছাড়াও হোসেন ও আরিফ আন্ত:জেলা অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের সদস্য।
গুরাইয়ার বরাতে কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক নিত্যনন্দ দাশ বলেন, তার পরিকল্পনায় ওয়ায়েজকে ঘটনাস্থলে নেয়া হয়। পরে বন্ধু হানিফ তাকে পেছন থেকে মুখ চেপে ধরে। আর গুরাইয়া তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করতে থাকে। পরে তাকে ফেলে অটোরিকশাটি নিয়ে পরিকল্পনামতো মোহাম্মদ হোসেন ও আরিফ পালিয়ে যান।
তিনি জানান, গ্রেফতার চারজনই অটোরিকশা চালক। লাশ উদ্ধারের পর জানাজাতেও অংশগ্রহণ করে খুনিরা। ঘটনার পর পরই আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি।