শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের তুজুলপুরে ও সকালে শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়ায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার রইচপুর এলাকার মাহবুবুর রহমান বাবু ও শ্যামনগর উপজেলার বড়কুপট গ্রামের স্কুল শিক্ষিকা রীতা রানী।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবীর জানান, শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া স্বপ্নীল পরিবহনের একটি বাস সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের তুজুলপুর এলাকায় বিপরীতগামী একটি ইঞ্জিনভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এ সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে পাশের গাছে ধাক্কা লেগে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে কমপক্ষে ২০ জন যাত্রী আহত হয়। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাহবুবুর রহমান বাবু। তিনি পেশায় ঘের ব্যবসায়ী।
.png)
অপরদিকে, শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহেদ মুর্শেদ জানান, স্কুলশিক্ষক রীতা রানী শ্যামনগরের ১৮৫ নং সাপের দুনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক। শনিবার তিনি তার স্বামী দেবনাথ রপ্তানের মোটরসাইকেলে বড়কুপট গ্রাম থেকে স্কুলে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আটুলিয়া এলাকায় তার ব্যবহৃত ওড়না মোটরসাইকেলের চাকায় পেঁচিয়ে গেলে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয়রা রিতা রানীকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।