শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সন্তোষ বাগবাড়ি এলাকা থেকে হত্যাকারী কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউপির গদুরগাতী গ্রামের বুদ্দু মিয়ার ছেলে।
রোববার দুপুরে পুলিশ সুপারের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।
.png)
তিনি জানান, গত ২৪ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সদরের সন্তোষ (বাগবাড়ি) এলাকার যক্ষ্মা হাসপাতালের সামনে পাকা রাস্তায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএ পুুকুরে কাঠ ব্যবসায়ী সামছুল হকের মরদেহ পাওয়া যায়। পরে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। হত্যা মামলার ঘটনাটি লোমহর্ষক এবং চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ডিবি (দক্ষিণ) টাঙ্গাইল যৌথভাবে হত্যার মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখেন।
কাগমারী পুলিশ ফাঁড়ির (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, ডিবি (দক্ষিণ) এসআই প্রকাশ চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে একটি দল বিভিন্ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করে।
শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউপির গদুরগাতী গ্রামের বুদ্দু মিয়ার ছেলে ইয়াসিন মিয়াকে সন্তোষ বাগবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত একটি নীল কালো রংয়ের স্যামসং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করায় তার জবানবন্দি ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক লিপিবদ্ধের জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়।