উপজেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মতিন বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। সোমবার সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানার ওসি আবুল হাশিম।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- কাজিয়াতল এলাকার মো. আলমগীর হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, সাইফুল ইসলাম ও মো. শফিক ইসলাম।
.png)
বন কর্মকর্তা আবদুল মতিন জানান, বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের কাজিয়াতল হাছান মার্কেটে শিয়াল জবাই করে পাঁচশ’ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রি করেন স্থানীয় একদল যুবক। আর এই মাংসের ক্রেতা পাওয়ার জন্য ফেসবুকে মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলা হয়। ক্রেতা পাওয়ার জন্য শফিকুল ইসলাম নামের একজন তার ফেসবুক আইডিতে শিয়ালের মাংস কাটার ছবিসহ মোবাইল নম্বর দেন। ওই নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শিয়ালের মাংস ডিপ ফ্রিজে রাখা আছে। কাজিয়াতল হাছান মার্কেটে এসে ফোন দিলে আপনাকে রিসিভ করা হবে। পরে আমরা এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ওই যুবকরা ফাঁদ পেতে কিংবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তারা শেয়াল ধরে জবাই করে। যা আইনবিরোধী কাজ। পরে তারা নানা রোগের ওষুধ হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে শিয়ালের মাংস পাঁচশ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, ফেসবুকে বন্যপ্রাণী জবাই করে মাংস বিক্রি করার বেশ কয়েকটি ছবি আমরা পেয়েছি। এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ, তাই মামলা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মুরাদনগর থানার ওসি আবুল হাশিম, ঘটনাটি সঠিক, আমরা তদন্ত করছি। এখনও কোনও আসামি ধরা হয়নি। শিগগিরই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।