ঘটনাটি বগুড়া আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের হবীর মোড় এলাকার। মঙ্গলবার সকালে ২০ বছর বয়সী আলেমা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্বামী হাসান আলীর ওপর অভিমান করে আলেমা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রকিব হোসেন।
.png)
সান্তাহার পৌর শহরের হবীর মোড় এলাকায় বছর তিনেক ধরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন আলেমা-হাসান দম্পতি। হাসানের স্থায়ী ঠিকানা জয়পুরহাটের আক্কেলপুর তিলকপুর মারমা গ্রামে। পেশায় তিনি অটোচালক।
জানা গেছে, অটোরিকশা চালানো শেষে সোমবার রাত ২ টার দিকে বাড়ি ফেরেন হাসান। বাড়িতে এসেই স্ত্রী আলেমাকে খাবার এগিয়ে দিতে বলেন। ঘুমে আচ্ছন্ন আলেমা তাকে খাবার তুলে নিয়ে খেতে বলেন। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আলেমাকে মারধর করেন হাসান। অভিমানে বাসার অন্য ঘরে যান আলেমা। অনেক সময় পার হলেও শয়ন ঘরে ফিরে না আসায় সন্দেহ হয় হাসানের। তাদের দেড় বছরের শিশুপুত্রও মাকে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। পরে স্ত্রীকে ডাকতে শয়ন ঘর থেকে বের হন হাসান। এ সময় পাশের ঘরে গিয়েই আলেমাকে তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে আলেমার লাশ উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে পাঠায়।
আদমদীঘি থানার ওসি মো. জালাল উদ্দীন জানান, লাশ উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।