জানা যায়, বর্তমান শুষ্ক মৌসুম হওয়ায় উপজেলার টি-ঘর গ্রামের বৃহৎ আকারের দীঘির একাংশের মাটি কাটা হচ্ছিল বেকু (খনন যন্ত্র) দিয়ে। এ সময় বেকুর আগায় এলাকার লোকজন প্রথমে কাঁদা মাখা অবস্থায় মূর্তিটিকে দেখতে পান। পরে খননকারিরা কষ্টি পাথরের মূর্তি ভেবে এটিকে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মূর্তিটি উদ্ধার করেছে। মূর্তিটির দৈর্ঘ্য ১৩ ইঞ্চি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- এটি নিম কাঠের তৈরি বিষ্ণুমূর্তি। আমরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবো।
.png)