জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে পঞ্চাশোর্ধ শামীমুল হক তারই ভাতিজাদের হাতে গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার স্ত্রী মাহবুবা আক্তার বর্বর নির্যাতনের শিকার হন। তাকে গলায় দড়ি বেঁধে টেনেহিঁচড়ে নির্যাতন করা হয়।
তাছাড়া এ সময়ে শামীমুল হকের ঘরের আসবাবপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ভাঙচুর, লুটপাট করে।
.png)
জানা গেছে, কথাকাটির এক পর্যায়ে শামসুল হকের ছেলে কামাল হোসেন ও জাকির হোসেন, রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. তৌহিদ ও টুটুল মিয়া, জাকির হোসেনের ছেলে লিমন, জাকির হোসেন সরাসরি শামীমুল হকের ঘরে ঢুকে তাকে বেধড়ক পেটায় এবং দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় তার স্ত্রী মাহবুবা আক্তার বাঁধা দিলে তাকে গলায় দড়ি বেঁধে টেনেহিঁচড়ে নির্যাতন এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি মারতে শুরু করে। তাদের আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে কামাল ও তার ভাইয়েরা পালিয়ে যায়।
প্রতিবেশীরা তাদেরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত বেলাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রেকা আক্তার জানায় কোনো কিছু বুঝার আগেই ফিল্মি স্টাইলে ওরা ঘরে এসে কোপাতে থাকে। আমরা থামাতে পারিনি।
রাজীব নামক আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ওরা হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরে ঢুকেই এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে জখম করে। আমরা বহু কষ্টে ওদের হাত থেকে দা সরাতে সক্ষম হই।
আহত শামীমুল হকের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে ইমরানুল হক হিমেল বলেন, আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। তারা সন্ত্রাসীদের মতো বারবার আমাদের ওপর চড়াও হচ্ছে। অবস্থা এত বেগতিক যে ওদের সঙ্গে কথাও বলা দুষ্কর। তাছাড়া তাদের মুখের ভাষাও খুব খারাপ।