কিন্তু এ সাঁকোটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের মধুপুর-ঝঁবঝবিয়া সংযোগ সড়কের শুরুতেই ব্যবহার অনুপযোগী এ বাঁশের সাঁকো।
মধুপুর গ্রামের আলম হোসেন, জাহাঙ্গীর সরকার, শরিফুল ইসলাম ও কলেজ ছাত্র আব্দুল মতিন জানান, এই গ্রামের পাশে ঝবঝবিয়া সংযোগ রাস্তাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের বাইরে বের হবার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাস্তার শুরুতেই বেশ কিছু অংশ বর্ষার পানির তোড়ে ভেঙে যাবার পর ৫-৬ বছরের মধ্যে ভাঙা অংশ মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়নি পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়ন পরিষদ।
.png)
বর্তমানে মধুপুর সবুরা ছামাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন এ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। একই সঙ্গে এ সাঁকো পেরিয়েই মধুপুর গ্রামের অর্ধ শতাধিক কলেজ ছাত্রছাত্রী সরকারি আকবর আলী কলেজ, এইচ. টি. ইমাম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজে পড়ালেখা করে থাকে।
ভুক্তভোগীরা জানান, অনেক দিন সাঁকো ভেঙে পড়ে গ্রামের লোকজন এবং ছাত্রছাত্রীরা আহত হয়েছেন। বর্ষার সময় পড়ে গিয়ে স্কুলপোশাক ভিজিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে স্কুলে ক্লাস করতে হয়।
সবুরা ছামাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাফিজ, সোহাগ হোসেন, সাব্বির, খাদিজা ও জুই জানায়, তারা প্রতিদিন গ্রামের ভাঙা রাস্তার উপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো ঝুঁকি নিয়ে পার হয়ে থাকে।
মধুপুর সবুরা ছামাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এলিনা পারভীন বাঁশের সাঁকোয় পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জানান, ঐ ভাঙা অংশে একটি পাকা সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা হলে শিশু শিক্ষার্থীরা নিরাপদে স্কুলে যাতায়াত করার সুযোগ পাবে।
এ বিষয়ে পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম তপন জানান, মধুপুর-ঝবঝবিয়া সংযোগ সড়কের ভাঙা অংশ দিয়ে মধুপুর গ্রামের লোকজন বর্ষার সময় নৌকায় বাইরে যাতায়াত করে থাকেন। ফলে ভাঙা অংশটি মেরামত করার ক্ষেত্রে গ্রামবাসীর আপত্তি রয়েছে। তবে ঐ স্থানটি বর্ষায় নৌ চলাচলের উপযোগী রাখতে ভাঙা অংশের উপর একটি উঁচু কাঠের সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।