বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে চড়ে যাত্রীরা শিমুলিয়া ঘাটে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। পরে তারা ফেরি বা লঞ্চে করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড়ও বাড়তে শুরু করেছে। যাত্রীরা বলছেন, ফেরির কম থাকায় ঘাটে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
শিমুলিয়া-মাঝিকান্দির সঙ্গে এবার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ২৪ ঘণ্টা ফেরি চালু হওয়ায় যানবাহন পারাপারে গতি বেড়েছে। দিনে ৯টি এবং রাতে চলাচল করছে ৬টি ফেরি। ফলে রাতে আর অপেক্ষা করতে হচ্ছে না যাত্রীদের।
.png)

সরেজমিনে দেখা গেছে, শিমুলিয়া ঘাটে পার্কিং ইয়ার্ডে ব্যক্তিগত শতাধিক গাড়ির সারি। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় সংখ্যা অনেকটাই কম। পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরি দিয়ে এসব ব্যক্তিগত ও হালকা যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। পিকআপ-মিনি কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও ঘাট এলাকায় অপেক্ষায় রয়েছে এ ধরনের শতাধিক যানবাহন। তবে পর্যায়ক্রমে পারাপারে সকাল ১১টার দিকে ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমে আসে।
লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটে দেখা গেছে, যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় অব্যাহত রয়েছে। গতকালের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে উপস্থিতি।
বিআইডব্লিউসিটি শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, দুই নৌরুটে মোট সচল ৯টি ফেরি যানবাহন পারাপার করছে।
বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক মো. সোলেইমান জানান, বৃহস্পতিবার ৫টি লঞ্চ ও ৩টি স্পিডবোট বেড়েছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫৫ স্পিডবোট সচল রয়েছে।