তিনি বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশ নাঈম নামে একজনকে ও র্যাব ২ জনকে আটক করেছে। ধর্ষণের শিকার দুই বোনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
র্যাব-৬ খুলনার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ মোসতাক আহমদ জানান, ধর্ষণের ঘটনা জানার পর র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার ভোরে বটিয়াঘাটার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মুজাহিদ শেখ ও আজিজুল মোড়ল ওরফে মিশরিয়া নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তারা দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় আরো কারা জড়িত তা জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে।
.png)
এর আগে, শনিবার রাত আড়াইটার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামে দুই খালাতো বোনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণের শিকার একজনের মা বলেন, শনিবার বিকেলে আমি বোনের বাড়ি ডুমুরিয়ায় গিয়েছিলাম। আমার স্বামী বাগেরহাটে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। এ সময়ে বাড়িতে ওরা দুই বোন ছিল। মধ্যরাতে ৭ জন আমাদের বাড়িতে যায়। তাদের কয়েকজন বাইরে পাহারায় থাকে আর কয়েকজন ঘরে ঢুকে দুই মেয়েকে হাত ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে।
তিনি আরো বলেন, ভোরে মেয়ে আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। আমরা গিয়ে তাদের মেডিকেলে নিয়ে আসি। ঘটনার সময় বড় মেয়ের সন্তানের গলায় ছুরি ধরা হয়েছিল। পরে তাকে পানিতে ডুবিয়ে রাখে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।