নিহতরা হলেন- নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের আক্তার হোসেন, তার স্ত্রী বিথি খাতুন ও ৪ বছর বয়সী মেয়ে মরিয়ম জান্নাত। নিহত অপরজন আব্দুল মান্নান মান্দা উপজেলার ছোট বেলালদহ এলাকার ময়েজ উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে।
নিহত তিনজনের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঐ পরিবারের বড় মেয়ে ১৩ বছর বয়সী নুসরাত আক্তার একা হয়ে গেছে। মা-বাবা ও আদরের ছোট বোনকে হারিয়ে যেন সব হারিয়েছে সে। এখন যে তার আর কেউ রইল না।
.png)
নুসরাত বলে, আম্মুকে ডাক্তার দেখাতে রাজশাহীতে যাওয়ার আগে আব্বু বলেছিল- ‘আম্মু আমরা সন্ধ্যার মধ্যেই বাড়ি চলে আসব। তোমার জন্য খাবার আনব, তুমি স্কুলে যাও।’ কিন্তু আব্বু আর এলো না, আম্মু-ছোট বোনতাও ফিরে আসেনি। সবাই আমাকে রেখে চলে গেছে। আপন বলতে আমার আর কেউ রইল না।
সোমবার দুপুরে জানাজা শেষে বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় নুসরাতের বাবা, মা ও ছোট বোনকে।
নুসরাতের বড় চাচা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নুসরাত বাড়ির বারান্দায় বসে কাঁদছে। কেউ তার কান্না থামাতে পারছে না। সে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।
নিয়ামতপুরের ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খুবই হৃদয়বিদারক ঘটনা। একসঙ্গে একই পরিবারের তিনটি প্রাণ ঝরে গেল। ঐ পরিবারের মেয়ে নুসরাতকে আমরা যথাসাধ্য সহযোগিতা করার উদ্যোগ নেব।