টেকনাফের চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একই পরিবারের সাতজন, আলীখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে দুইজন ও টেকনাফ পৌরসভা থেকে একজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- ভারতের জম্মু-কাশ্মীর রিফিউজি ক্যাম্প থেকে আসা গুল বাহার, আবু তাহের, হামিদা বেগম, আবুল মনসুর, ইয়াসমিন, খুরশিদা, আয়েশা, মো. জামাল, নূর জাহান এবং উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ-ব্লকের বাসিন্দা এনায়েত উল্লাহ।
.png)
১৬ এপিবিএন এর অধিনায়ক (এসপি) তারিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকালে চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আবুল কাশেমের ঘরে অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে পালিয়ে আসা একই পরিবারের সাতজনকে ও আলীখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আটককৃত সবাই ভারতের জম্মু-কাশ্মীর রিফিউজি ক্যাম্প থেকে পালিয়ে মৌলভীবাজার ও কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। ক্যাম্প-ইন-চার্জ (সিআইসি) এর নির্দেশনায় তাদের সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্প প্রধানের মাধ্যমে উখিয়ার কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের টেকনাফ বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক মো. সিরাজুল মোস্তফা জানান, টেকনাফ পৌরসভার পাইলট হাই স্কুল মাঠের উত্তর পাশে এক মাদক কারবারি ইয়াবা বেচা-কেনার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন- এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা মাদক কারবারি এনায়েত উল্লাহকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে ৩৭ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ আটককৃত রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে মামলা করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।