জানা যায়, দিনের বেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্যাম্পে অভিযান চালালে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে পাহাড়-জঙ্গলে আশ্রয় নেয় সন্ত্রাসীরা। আর রাতের বেলায় ক্যাম্পে ঢুকে মেয়েদের অপহরণ, ধর্ষণসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গত ১৫ দিনে অন্তত ১১ জন রোহিঙ্গা নারী ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন।
১৪ এপিবিএন অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক বলেন, গত মে মাসে নুরানী ও মরকজ পাহাড়ে এপিবিএন সদস্যরা অভিযান চালিয়ে অপহৃত পাঁচ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছেন। এরমধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।
.png)
পৌনে পাঁচ বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ৪ হাজার ৭০০ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ২ হাজার ৪০টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে ১২৫ জন রোহিঙ্গার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে ৭৬টি ও ১৮৮ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হয়েছে ২৫টি।
গত ২৭ মে টেকনাফের একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আট বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে পাশের লম্বাবিল জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৬ এপিবিএন সদস্যরা পরের দিন অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত দুই রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেন।