এর আগে সোমবার (১৩ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে খুলনাগামী নকশীকাঁথা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা শহরের বেলগাছি ও ফার্মপাড়ার মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছালে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যায় রোহান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত রোহান চুয়াডাঙ্গা জীবননগর উপজেলার উথলী ইউনিয়নের সেনেরহুদা গ্রামের ক্লাবপাড়ার সিএনজি অটোরিকশা চালক রায়হানের ছেলে রোহান ও উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সোমবার বিকেলে খুলনাগামী নকশীকাঁথা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গা শহরের বেলগাছি ও ফার্মপাড়ার মাঝামাঝি স্থানে পৌঁছালে চলন্ত ট্রেন থেকে একজনকে পড়ে যেতে দেখি। পরে তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে ছুটে আসে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নূর জাহান রুমি বলেন, ওই কিশোর মাথা, পাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত পেয়েছে। কান দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আহত রোহানকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে চুয়াডাঙ্গা ত্যাগ করেন।
অ্যাম্বুলেন্স চালক রাশেদ বলেন, ঝিনাইদহ জেলার হাটগোপালপুর পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি হয়। সেখান থেকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।