মৃত ঝর্ণা বেগম (১৯) গলানিয়া গ্রামের আছন আলীর মেয়ে ও একই গ্রামের হৃদয় হোসেনের স্ত্রী।
জানা যায়, প্রায় ৬ মাস আগে প্রেম করে ঝর্ণাকে বিয়ে করেন হৃদয় হোসেন। প্রেমের এই বিয়ে মেনে নেয়নি হৃদয়ের বাবা জামির হোসেন। তাই বাধ্য হয়ে বেকার স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই বসবাস করতো ঝর্ণা বেগম। গত ১৫ দিন আগে ঝর্ণা বেগম প্রতিবেশী রোজিনা বেগমের কাছ থেকে স্বামীর জন্য ৫০০ টাকা ধার নেয়। এক সপ্তাহের মধ্যে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও হৃদয় হোসেন এই টাকা ফেরত দেয়নি। এ নিয়ে গত শুক্রবার রাতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয় ঝর্ণার।
.png)
শনিবার সকালে হৃদয় ঘুম থেকে উঠে দেখেন স্ত্রী ঝর্ণা ওড়না দিয়ে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলছে। তার চিৎকারে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জড়ো হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঝর্ণার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শিহাবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ঐ গৃহবধূ ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।